নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুসারে আগামী ৩১ মে ঢাকা সিটি করপোরেশন (ডিসিসি) নির্বাচন হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ড. এটিএম শামসুল হুদা। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বারবার তারিখ পরিবর্তন করেও নির্বাচন না করতে পারার জন্য সরকারই দায়ী। তবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন ২৫ জুনের মধ্যেই হবে।
ওয়ার্ডগুলোর সীমানা নতুন করে ঠিক করার পর ডিসিসি নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
গত সোমবার ডিসিসি নির্বাচন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের সিইসি বলেন, সরকারের মতামত না থাকলেও নির্বাচন কমিশন নিজ দায়িত্বে এ নির্বাচন করবে।
তবে বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, ৩১ মে তো নয়ই, কবে নাগাদ ডিসিসি নির্বাচন সম্ভব হবে, কমিশন নিজেই জানে না।
অনিশ্চিত এ অবস্থা সৃষ্টির জন্য সরকারকেই দায়ী করেন তিনি।
শামসুল হুদা বলেন, “ইলেকশনটা হচ্ছে গভর্নমেন্টের। তারা বলছে যে করা যাবে। ঠিক আছে আমরা করি। এখন আবার সরকার বলছে, না। আইনি মতামত হচ্ছে যে এটা ডিলিমিটেশন ছাড়া করলে আইনি জটিলতা হতে পারে, আবার রিট হতে পারে। কাজেই ওটা না করে করা যাবে না।”
সিইসি মনে করেন, এলাকার অখণ্ডতা বজায় রেখে জনসংখ্যা অনুপাতে ৯২টি ওয়ার্ডের সীমানা নতুন করে ঠিক করতে অন্তত দু’মাস সময় লাগবে।
তিনি আরো বলেন, “এই কাজটাও কিন্তু আমার না। সমস্যাটা তো এই জায়গায় যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমাদের একটা সুবিধা যে সব কিছু নির্বাচন কমিশনের কন্ট্রোলে। কিন্তু এখানে অন্য লোকের ফরমায়েশে আমরা কাজ করি। এবং এর যা অনুষঙ্গ এগুলোর কোনোটার মধ্যেই আমার কোনো কন্ট্রোল নাই।...যেহেতু তারা এই প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবহিত নন, সেইজন্য আমরা তাদের সহায়তা করছি।”
এ সময় ভোলা-৩ আসনের নির্বাচন সম্পর্কে তিনি বলেন, নির্বাচনে কোনো ধরনের সহিংসতা হলে নির্বাচন বন্ধ করে দেয়া হবে।
আগামী ১৬ এপ্রিল থেকে সেখানে চিরুনি অভিযান শুরু করা হবে বলে জানান তিনি।