ভোলা-৩ আসনের নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীর প্রধান সমন্বয়কারীর গাড়িবহরে বৃহস্পতিবার হামলা হয়েছে। এতে প্রধান সমন্বয়কারী নাজিমুদ্দিন আলমসহ আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২০ জন। হামলার সময় ছয়টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এ হামলার জন্য পরস্পরকে দোষারোপ করেছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, নির্বাচনী প্রচারের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার সাতানিবাজারে কর্মীসভার আয়োজন করে স্থানীয় বিএনপি। সেখানে যাওয়ার পথে বিএনপি প্রার্থীর প্রধান সমন্বয়কারী নাজিমুদ্দিন আলমের গাড়িবহরে আওয়ামী লীগ কর্মীরা হামলা চালান বলে পরে ভোলায় ফিরে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন বিএনপি প্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
পাল্টা সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে আওয়ামী লীগ এ হামলার জন্য বিএনপিকেই দায়ী করে।
পরাজয় নিশ্চিত জেনে বিএনপি অপপ্রচার ও হামলা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ। ভোলা-৩ আসনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পক্ষে প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার তিনি ওই আসনের নির্বাচনের পরিবেশ সরেজমিনে ঘুরে দেখার পর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ সেখানে সন্তোষজনক। পরাজয় জেনেই অপপ্রচার চালাচ্ছে বিএনপি। বিএনপির সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে দোষ চাপাচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের ওপর।
অন্যদিকে, এ হামলার জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও দুই নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবি করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ।
রাজধানীতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সাবেক এই আইনমন্ত্রী।
কমিশনারদের পদত্যাগ দাবি করে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন স্বাধীন একটি প্রতিষ্ঠান হয়েও নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখতে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারছে না।
সেনা মোতায়েন না করলে নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না বলেও মনে করেন তিনি।