বিডিআর বিদ্রোহ ছিলো অপারেশন ডাল ভাতসহ নানা বঞ্চনা আর রাগের পুঞ্জীভূত বিস্ফোরণ। তবে এটা রক্তক্ষয়ী আকার ধারণ করবে তা বিদ্রোহীরাও হয়তো ভাবতে পারেননি। দেশ টিভিকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন বিদ্রোহের পর গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান আনিসুজ্জামান খান।
বিডিআর বিদ্রোহের কারণ উদঘাটনে সাবেক সচিব আনিসুজ্জামান খানের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিলো। ৭ দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেয়ার কথা থাকলেও কমিটি চার দফা সময় বাড়িয়ে ২১ মে তা সরকারের কাছে জমা দেয়।
রিপোর্টের সার সংক্ষেপ সাংবাদিকদেরও দেয়া হয়। সেখানে বিডিআর হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট ধারণা দেয়া না হলেও এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে সেদিন কমিটি প্রধান আনিসুজ্জামান খান শুধু বলেছিলেন, “বিদ্রোহ”।
এ বিষয়ে দেশ টিভিকে তিনি বলেন, অনুসন্ধানে বিদ্রোহের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেলেও আসলেই এর নেতৃত্বে কে ছিলো তা বের করা সম্ভব হয়নি।
আনিসুজ্জামান খান বলেন, “তারা জানতো যে এরকম একটা কিছু হবে কিন্তু হত্যাকাণ্ড চালানো হবে সেটা জানতো না। মুষ্টিমেয় ১০/১৫ জন বোধহয় ঠিক করছিলো আরো নৃশংস কিছু একটা ঘটাবে।”
তাদের অনুসন্ধানে বিডিআরের নিজস্ব এবং রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ব্যর্থতাই বেরিয়ে এসেছে—এ কথা উল্লেখ করে আনিসুজ্জামান খান বলেন, সেদিনের বিদ্রোহ দমনে বেঁচে যাওয়া সেনা কর্মকর্তাদেরও অনেক দায়িত্ব ছিলো।
তিনি আরো বলেন, “যারা বাইরে ছিলেন তারা তো পালিয়ে ছিলেন এবং ব্যাটালিয়ান হেডদের মধ্যে যাদেরকে বলা হয়েছিলো তোমরা বাইরে গিয়ে চুপ করে থাকো তারা বাইরে গিয়ে কেউ পালিয়েছে, কেউ অন্যদিকে চলে গেছে, ৩ জন মারাও গেছে।