এসএ গেমসে সোমবার আরো ৪টি স্বর্ণ পেয়েছে বাংলাদেশ। ফুটবল ও বক্সিং থেকে ২টি এবং উশু থেকে এসেছে আরো ১টি স্বর্ণ।
সবমিলিয়ে ১৮টি স্বর্ণ জিতলেও বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়।
এছাড়া বক্সিংয়ে স্বর্ণজয়ের মাধ্যমে এই ডিসিপ্লিনে দেশের মাটিতে স্বর্ণজয়ের রেকর্ড ধরে রাখলো বাংলাদেশ। এর আগে ’৮৫ ও ’৯৩ সালে মাত্র ১টি স্বর্ণ পেলেও এবার ২টি আলাদা ইভেন্টে স্বর্ণ জয়ের দুর্লভ কৃতিত্ব গড়েছেন স্বাগতিক বক্সাররা।
এর আগে বাংলাদেশ দু’বার দক্ষিণ এশিয়ার অলিম্পিকখ্যাত এসএ গেমসের আয়োজক ছিলো। ’৮৫-তে গেমসের দ্বিতীয় আসরে বক্সিং ইভেন্টে স্বর্ণ জিতে রীতিমতো হৈ চৈ ফেলে দেন মোশারফ হোসেন।
পরে ’৯৩-তে বক্সিং রিংয়ে ঝড় তুলে দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশকে স্বর্ণ জয়ের উচ্ছ্বাসে ভাসান মোজাম্মেল হক। সেবারও গেমসের আয়োজক ছিল বাংলাদেশ।
বক্সিংয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সেই ছিলো সেরা অর্জন। আবার ১৭ বছর পর ঘরের মাঠে সোহেল-রহিমদের জয়-জয়কার। ৬০ কেজি ওজন শ্রেণীতে নেপালের অজিত গুরুকে ভূপাতিত করে বক্সিং থেকে এবারের আসরের প্রথম স্বর্ণ জিতে নেন জুয়েল আহমেদ জনি।
তবে আরচারি, অ্যাথলেটিক্স, সাঁতারে বাংলাদেশের ব্যর্থতার মাঝে এক পশলা আনন্দের উপলক্ষ ছিলো বক্সিং স্টেডিয়াম।
দক্ষিণ এশিয়ার দ্রুততম মানব-মানবীর খেতাব গেছে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের ঘরে। ১০০ মিটার দৌড়ে শ্রীলঙ্কার সিহান সায়েরুওয়ান ১০.৪৬ মিনিটে স্বর্ণ জয় করেন। আর নারীদের বিভাগে পাকিস্তানের নাসিম নাহিদ ১১.৮১ মিনিটে জয় করেন।