আন্তর্জাতিক

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২০ (১২:৩৮)

বাংলাদেশ-মিয়ানমার : সামরিক শক্তিতে কে এগিয়ে?

বাংলাদেশ-মিয়ানমার : সামরিক শক্তিতে কে এগিয়ে?

বাংলাদেশ-মিয়ানমারের মধ্যে কখনো সরাসরি যুদ্ধ না বাঁধলেও পুশব্যাক-পুশইন, জেলে আটক, রোহিঙ্গা নির্যাতন ইত্যাদি ইস্যুতে সীমান্তে বিরোধ রয়েছে দুই দেশের। গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ারের তথ্য অনুযায়ী দেখুন দুটি দেশের সামরিক শক্তির তথ্য:

ব়্যাংকিং

গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ারের তথ্য অনুযায়ী সামরিক শক্তির এই ব়্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে অনেক এগিয়ে আছে মিয়ানমার। ১৩৮ দেশের তালিকায় ৩৫ নম্বারে মিয়ানমার, আর বাংলাদেশ রয়েছে ৪৬ নম্বারে। এই তালিকায় প্রথম পাঁচটি অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ভারত ও জাপান।

সক্রিয় সেনাসদস্য

মিয়ানমারের চেয়ে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা প্রায় তিন গুণ হলেও সেনাসদস্যের সংখ্যায় মিয়ানমার অনেক এগিয়ে। মিয়ানমারের সক্রিয় সেনাসদস্যের সংখ্যা মোট চার লাখ ছয় হাজার, বাংলাদেশের রয়েছে মোট এক লাখ ৬০ হাজার সক্রিয় সেনাসদস্য। দুই দেশের কোনোটিরই রিজার্ভ সেনাসদস্য নেই।

প্রতিরক্ষা বাজেট

প্রতিরক্ষা বাজেটের দিক থেকে অবশ্য মিয়ানমারের চেয়ে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। মিয়ানমারের বার্ষিক প্রতিরক্ষা বাজেট ২৬৫ কোটি মার্কিন ডলার, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বাজেট ৩৮০ কোটি ডলারের।

এয়ারক্রাফট

এখানেও এগিয়ে মিয়ানমার। বাংলাদেশের ১৭৭টির বিপরীতে মিয়ানমারের রয়েছে ২৭৬টি এয়ারক্রাফট।

নৌবহর

নৌশক্তিতেও মিয়ানমার বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। মিয়ানমারের রয়েছে ১৮৭টি জাহাজ, বাংলাদেশের রয়েছে ১১২টি।

যুদ্ধবিমান

বাংলাদেশের কমব্যাট এয়ারক্রাফট বা যুদ্ধবিমান রয়েছে ৪৪টি, মিয়ানমারের রয়েছে ৫৯টি।

হেলিকপ্টার

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬৭টি হেলিকপ্টারের বিপরীতে মিয়ানমারের রয়েছে ৮৬টি হেলিকপ্টার।

ট্যাঙ্ক

বাংলাদেশের কমব্যাট ট্যাঙ্ক রয়েছে ২৭৬টি, মিয়ানমারের রয়েছে ৪৩৪টি।

সাঁজোয়া যান

বাংলাদেশের সাঁজোয়া যানের সংখ্যা ১,২৩০টি, মিয়ানমারের ১,৩০০টি।

স্বয়ংক্রিয় আর্টিলারি

স্বয়ংক্রিয় আর্টিলারিতে অনেক এগিয়ে মিয়ানমার। দেশটির স্বয়ংক্রিয় আর্টিলারির সংখ্যা ১০৮টি, বাংলাদেশের মাত্র ১৮টি৷

ফিল্ড আর্টিলারি

ফিল্ড আর্টিলারিতেও মিয়ানমার কয়েকগুণ এগিয়ে আছে। মিয়ানমারের ১৬১২টি ফিল্ড আর্টিলারির বিপরীতে বাংলাদেশের রয়েছে কেবল ৪১৯টি ফিল্ড আর্টিলারি।

রকেট প্রজেক্টর

বাংলাদেশের ৭২টি রকেট প্রজেক্টরের বিপরীতে মিয়ানমারের রয়েছে ৮৪টি রকেট প্রজেক্টর।

সাবমেরিন

সাবমেরিনের ক্ষেত্রে মিয়ানমারের চেয়ে কিছুটা এগিয়ে বাংলাদেশ। মিয়ানমারের একটি সাবমেরিনের বদলে বাংলাদেশের রয়েছে দুটি।

বিমানবাহী জাহাজ

বাংলাদেশ বা মিয়ানমার কোনো দেশেরই বিমানবাহী জাহাজ নেই।

ডেস্ট্রয়ার

দেশ দুটির কোনোটিরই ডেস্ট্রয়ার নেই।

ফ্রিগেট

এক্ষেত্রে কিছুটা এগিয়ে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের রয়েছে আটটি ফ্রিগেট, অন্যদিকে মিয়ানমারের রয়েছে পাঁচটি।

করভেট

বাংলাদেশের করভেটের সংখ্যা মিয়ানমারের দ্বিগুণ। মিয়ানমারের তিনটির বদলে বাংলাদেশের আছে ছয়টি।

উপকূলে পেট্রোল

উপকূলে টহল দেয়ার জন্য মিয়ানমারের রয়েছে ১১৭টি নৌযান। বাংলাদেশের রয়েছে ৩০টি।

বিমানবন্দর

মিয়ানমারে ৬৪টি বিমানবন্দর রয়েছে। বাংলাদেশে রয়েছে ১৮টি।

নৌবন্দর ও টার্মিনাল

এক্ষেত্রে দুদেশেরই সমান সমান। দুই দেশেরই তিনটি নৌবন্দর ও টার্মিনাল রয়েছে।

সূত্র : ডয়চে ভেলে

এছাড়াও রয়েছে

পুলিশের নিরাপত্তায় বিলের প্রতিবাদে বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স

নাইজেরিয়ায় ৪৩ শ্রমিককে গলা কেটে হত্যা

পেনসিলভানিয়ায় রিপাবলিকানদের মামলা খারিজ

আফগানিস্তানে আত্মঘাতী গাড়িবোমা হামলা, নিহত ৩০

ব্রাজিলে আরও ৬৩৯ মৃত্যু, আক্রান্ত বেড়ে ৬৩ লাখ

বিশ্বে আক্রান্ত ৬ কোটি ২১ লাখ ছাড়াল

ইরানের শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানী হামলায় নিহত

ভারতে গায়ে আগুন দিয়ে ৩ কৃষকের আত্মাহুতির চেষ্টা

আরও খবর

  • চলে গেলেন ওস্তাদ শাহাদাৎ হোসেন খান

    চলে গেলেন ওস্তাদ শাহাদাৎ হোসেন খান

  • পুলিশের নিরাপত্তায় বিলের প্রতিবাদে বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স

    পুলিশের নিরাপত্তায় বিলের প্রতিবাদে বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স

  • ২০ মিনিটে তৈরি করুন মাছের স্টেক

    ২০ মিনিটে তৈরি করুন মাছের স্টেক

  • দোকানের মতো মুচমুচে চিকেন ফ্রাই মাত্র ১৫ মিনিটেই

    দোকানের মতো মুচমুচে চিকেন ফ্রাই মাত্র ১৫ মিনিটেই

সর্বশেষ খবর

ঝটপট তৈরি ধনিয়া পাতার চাটনি

দোকানের মতো মুচমুচে চিকেন ফ্রাই মাত্র ১৫ মিনিটেই

২০ মিনিটে তৈরি করুন মাছের স্টেক

ফিলিপসের রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরিতে উইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ জিতলো নিউজিল্যান্ড