নির্বাচন

রবিবার, ১০ মার্চ, ২০১৯ (১৮:৫৯)

দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলায়তন ভেঙে ডাকসু-হল নির্বাচন সোমবার

দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলায়তন ভেঙে ডাকসু-হল নির্বাচন সোমবার

দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলায়তন ভেঙে কাল-সোমবার হতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-ডাকসু ও হল নির্বাচন— সব প্রস্তুতি সম্পন্ন।

সকাল ৮ থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে। এবার ভোটার ৪৩ হাজার ২৫৬ জন। প্রত্যেককে ৩৮টি করে ভোট দিতে পারবেন। ডাকসুতে ২৫টি পদের জন্য লড়ছেন ২২৯ প্রার্থী। আর ১৮টি আবাসিক হলে মোট প্রার্থী ৫০৯ জন। একেকটি হলে ১৩টি পদে নির্বাচন হবে।

ডাকসুতে প্যানেল দিয়ে নির্বাচন করছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, বাম সংগঠনগুলোর জোট, কোটা আন্দোলনকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ, জাসদ ছাত্রলীগ, ছাত্রলীগ বিসিএল, ছাত্র মৈত্রী, স্বতন্ত্র জোট, ছাত্র মুক্তি জোট, জাতীয় ছাত্র সমাজ, বাংলাদেশ ছাত্র আন্দোলন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীও রয়েছেন। গতকাল শেষ হয়েছে প্রচারণা।

আজ-রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার সাতটি স্পটে চেক পোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে। এরই মধ্যে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

অভিযোগ আর পাল্টা অভিযোগের মধ্যেদিয়ে ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন কাল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে সক্রিয় ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে ছাত্রলীগ ছাড়া আর কোনো সংগঠনই বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিতে পারেনি।

ডাকসুর গঠনতন্ত্রে নির্বাচন করার বয়স ত্রিশের মধ্যে দেয়া আর ক্ষমতাসীন ছাত্রসংগঠনের দৌরাত্বের কারণে হলগুলোতে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দেয়া সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ ছাত্রদলসহ অন্যান্য ছাত্র সংগঠনগুলোর।

তবে এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন উল্লেখ করে ছাত্রলীগ নেতারা বলেন, কর্মী সংকটের কারণেই অনেকের পক্ষে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দেয়া সম্ভব হয়নি।

ডাকসু নির্বাচনে কেন্দ্রীয়ভাবে ২৫টি এবং হল সংসদ নির্বাচনের জন্য ১৩টি পদ রয়েছে।

ডাকসুর ২৫টি পদের জন্য দুইশোর বেশি প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। আর হল সংসদ নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন পাঁচ শতাধিক প্রার্থী।

তবে, ডাকসুর কেন্দ্রীয় ২৫টি পদের জন্য সক্রিয় সকল সংগঠন পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিতে পারলেও বিশ্বদ্যালয়ের হলগুলোর জন্য নির্ধারিত ১৩টি পদের ক্ষেত্রে ছাত্রলীগ ছাড়া আর কেউ পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিতে পারেনি।

ডাকসুর গঠনতন্ত্র পরিবর্তনের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের অবস্থান না থাকার কারণে হলগুলোতে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দেয়া সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে ছাত্রদল।

আর বিশেষ একটি ছাত্র সংগঠনের দৌরাত্বের কারণে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দেয়া যায়নি বলে অভিযোগ বামসহ স্বতন্ত্র প্রার্থীদের।

তবে, কর্মী সংকট আর নিজেদের জনপ্রিয়তা না থাকার কারণে অন্যান্য সংগঠন প্যানেল দিতে পারেনি বলে জানিয়েছে ছাত্রলীগ নেতারা।

এরই মধ্যে হল সংসদ নির্বাচনে তাদের বেশ কিছু প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন বলে জানান তারা।

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

রংপুরে উপ-নির্বাচনে অংশ নেবে বিএনপি

সারাদেশের ২৯৫ স্থানে ভোট চলছে

১১ অক্টোবরের মধ্যে এরশাদের আসনে উপনির্বাচন

বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচন চলছে

শেষ ধাপে ২০ উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে

আগামী সব নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার হবে: সিইসি

কুমিল্লার দুটি উপজেলার ৬টি-গজারিয়ার ৩টি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ

বিজিএমইয়ের নেতৃত্ব নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ

সর্বশেষ খবর

এক দশক পরে স্বাদ বদলাচ্ছে অ্যান্ড্রয়েড, আসছে পরিবর্তন

ভারতীয় ক্রিকেট দলকে হত্যার হুমকি, গ্রেফতার ১

ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি আর নেই

চুয়াডাঙ্গায় যুবলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা