দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পাবনার সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নে ৯ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী রিয়া খাতুনের ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে আসামিদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (৮ জুন) একজন এবং মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়।
নিহতরা হলেন,পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘবপুর এলাকার তজির উদ্দিন শেখের ছেলে সুমন শেখ, নতুন পাড়া এলাকার শকুর হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম সাব্বির এবং একই এলাকার মৃত ইউসুফের ছেলে সাপু।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, গত ৩ জুন বিকেলে পাবনা সদর উপজেলা-এর ভাড়ারায় পদ্মা নদী থেকে রিয়া খাতুনের (১৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন ৪ জুন দাফনের পর উত্তেজিত জনতা আসামিদের বাড়িঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে আশপাশের কয়েকজন দগ্ধ হন।
দগ্ধদের উদ্ধার করে ঢাকায় চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। তারা সবাই স্থানীয় বাসিন্দা ও উৎসুক জনতা ছিলেন বলে জানা গেছে।
পাবনা সদর থানার ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এর আগে রিয়া খাতুনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তার কথিত প্রেমিক নাইমসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
জে আই