বিশেষ প্রতিবেদন

সোমবার, ০৮ জানুয়ারী, ২০১৮ (১৮:৫৭)

বেড়েছে শিশুদের ওপর হত্যা-ধর্ষণের ঘটনা

বেড়েছে শিশুদের ওপর হত্যা-ধর্ষণের ঘটনা

২০১৭ সালে শিশুদের ওপর সামগ্রিকভাবে নির্যাতন-নিপিড়ন ও হত্যা-ধর্ষণের ঘটনা বেড়েছে। প্রতিমাসে গড়ে ২৮ শিশু হত্যা ও ৪৯ শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে।

বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরামের বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বিচারহীনতা ও বিচারে দীর্ঘসূত্রিতাসহ বেশ কিছু কারণে শিশুদের ওপর নির্যাতন কমছে না বলে মনে করেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক।

তিনি বলেন, শিশুদের ওপর নির্যাতনের হার বেড়ে যাওয়া কোনো ভাবেই মেনে নেয়া যায় না। রাষ্ট্রের এ বিষয়ে অনেক কিছু করার আছে।

শিশু অধিদপ্তর ও কমিশন করার কথা বললেও সরকার তা করেনি বলে অভিযোগও করেন মানবাধিকার কমিশনের এ চেয়ারম্যান।

প্রতি বছরের মত এবারো ২০১৭ সালে শিশু নির্যাতনের ওপর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম। জাতীয় ১০টি দৈনিক পত্রিকার সংবাদ পর্যালোচনা করে শিশু অধিকার পরিস্থিতি ২০১৭'র প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।

রিপোর্টে বলা হয়, ২০১৬ সালে ৩ হাজার ৫৮৯টি শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছিলো। আর ২০১৭ সালে ৩ হাজার ৮৪৫টি শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। যার মধ্যে ১৭১০টি শিশু বিভিন্ন ধরনের অপমৃত্যুর শিকার হয়েছে আর ৮৯৪টি যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে।

২০১৬ সলের তুলনায় গত বছর নির্যাতন-নিপীড়ন বেড়েছে ৭ দশমিক ১৩ শতাংশ। যার মধ্যে অপমৃত্যু বেড়ছে আঠারো দশমিক ৬৭ শতাংশ আর যৌন নির্যাতন বেড়েছে ৩০ দশমিক ৩২ শতাংশ।

বলা আরো হয়, তবে শিশুদের ওপর নির্যাতনের অবস্থা আরো গুরুতর। সার্বিকভাবে খোঁজ নেওয়া হলে পরিস্থিতি আরো ভায়বহ ভাবে ধরা পড়বে বলে মনে করে শিশু অধিকার ফোরাম।

 

এছাড়াও রয়েছে

ঈদে ফিটনেস বিহীন গাড়ি চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি

সহসাই মুক্তি পাচ্ছেন না খালেদা জিয়া

শান্তি চুক্তি বাস্তবায়িত না হওয়াই পার্বত্য অঞ্চলে অস্থিরতা

এবারও অর্জিত হচ্ছে না রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা

তারেককে ফেরানো কঠিন হবে আসামি প্রত্যার্পণ চুক্তি না থাকায়

কোটা বাতিলে সাংবিধানিকভাবে সমস্যা নেই, সংস্কারই শ্রেয়

সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতির সংস্কার চান বিশ্লেষকেরা

সহায়ক বাণিজ্য পরিবেশ পেলে ব্যবসায়ীরা চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত

হাজারীবাগ-কারওয়ান বাজার বস্তিতে মাদকবিরোধী অভিযান, আটক শতাধিক

মাদক ব্যবসা নির্মূল না পর্যন্ত অভিযান চলবে: কামাল

অপ্রয়োজনীয় সিজার থেকে বিরত থাকুন স্বাস্থ্যপ্রতিমন্ত্রী।

চাঁদে পা রাখা চতুর্থ নভোচারী অ্যালান বিনও চলে গেলেন