সদ্য পাওয়া
Desh TV Logo জাতীয়: হাওরে হাহাকার, ফসল হারিয়ে সর্বস্বান্ত কৃষক, অনেক জায়গায় ত্রাণ না পৌঁছানোর অভিযোগ হাওরবাসীর; পরবর্তী ফসল না উঠা পর্যন্ত সহায়তা দেবে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী Desh TV Logo রাজশাহী শহরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ‘ব্লক রেইড’ চলছে Desh TV Logo সিলেটের শাহী ঈদগাহ এলাকায় একটি স্কুলে বোমা সদৃশ বস্তুর সন্ধান, উদ্ধারে কাজ করছে র‌্যাব Desh TV Logo ভাস্কর্য ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্ট যেন কলুষিত না হয়, ভাস্কর্য সরানোর সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান বিচারপতি: আইনমন্ত্রী Desh TV Logo রাজধানীর পানি নিষ্কাশনে ব্যর্থ ওয়াসা: সাঈদ খোকন Desh TV Logo রাজ্যের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে তিস্তার পানি দেওয়া হবে না, আবারো বললেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় Desh TV Logo গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের ২৫ নেতাকর্মীর ৫ বছর করে কারাদণ্ড Desh TV Logo বরগুনার বেতাগী উপজেলার বামনা খেয়াঘাটে র‌্যাবের অভিযানে অপহৃত এক শিশু উদ্ধার, ২ জন অপহরণকারী গ্রেপ্তার Desh TV Logo চট্টগ্রামের বাঁশখালীর ফাথরিয়া ইউনিয়নের একটি ভোট কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ৩ Desh TV Logo আন্তর্জাতিক: উত্তর কোরিয়াকে ঘিরে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ কোরিয়া পৌঁছেছে মার্কিন সাবমেরিন Desh TV Logo কেনিয়ায় বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২৪ Desh TV Logo ফ্রান্সে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন: দ্বিতীয় পর্বে পৌঁছানোর একদিন পরই উগ্র-ডানপন্থী পার্টি ‘এফএন’ প্রধানের পদ ছাড়ার ঘোষণা দিলেন মারি লো পেন Desh TV Logo খেলা: ক্রিকেট: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আমাদের জন্য কঠিন হবে, তবে মানসিক শক্তি আমাদের এগিয়ে রাখতে পারে, ত্রিদেশীয় সিরিজে ভালো করতে পারলে আত্মবিশ্বাস বাড়বে: মাশরাফি Desh TV Logo ম্যাচ ফিক্সিংয়ের দায়ে নিষিদ্ধ হলেন সাউথ আফ্রিকার সাবেক বোলার লনওয়াবো সোতসোবে Desh TV Logo ফুটবল: ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ: চেলসি-সাউদাম্পটন (রাত পৌনে ১টা) Desh TV Logo স্প্যানিশ লা লিগা: অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ-ভিয়ারিয়াল (রাত দেড়টা) Desh TV Logo জার্মান কাপ (সেমিফাইনাল): মুনশেনগ্ল্যাডবাখ-ফ্রাঙ্কফুর্ট (রাত পৌনে ১টা) Desh TV Logo দেশ টিভির সংবাদ দেখুন সকাল সাড়ে ৭টা, ১০টা, বেলা ১২টা, দুপুর ২টা, বিকেল ৪টা, সন্ধ্যা ৭টা, রাত ৯টা, ১১টা এবং ১টায়

ডিএমসির অধিকাংশ অ্যাম্বুলেন্সের মালিক ২য়-৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী

মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৬ (১৪:৫৬)
ডিএমসির-অধিকাংশ-অ্যাম্বুলেন্সের-মালিক-২য়-৪র্থ-শ্রেণীর-কর্মচারী

অ্যাম্বুলেন্স

অনুমোদনহীন অ্যাম্বুলেন্সের অধিকাংশের মালিক ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ডিএমসি) হাসপাতালের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কিছু কর্মচারী। গণমাধ্যম পেশায় আছেন এমন কেউ কেউ এসব অ্যাম্বুলেন্সের মালিকানার অংশীদার বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আর সরকারী হাসপাতালে নিয়োজিত কোনো কর্মকর্তা কর্মচারী ব্যক্তি মালিকানাধীন কোনো অ্যাম্বুলেন্স সেবা দিতে না পারলেও বাস্তবতা ভিন্ন। এসব ব্যাপারে অভিযোগ উঠলে তদন্ত কমিটি হয় তবে কোনো প্রতিবেদন আর আলোর মুখ দেখে না। অভিযোগ রয়েছে দালাল চক্র টাকা দিয়ে সহজেই হাত করে ফেলে এসব তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের।

দীর্ঘ দিন ধরে চলমান অ্যাম্বুলেন্স দালাল চক্রের দৌরাত্ম অনেকটা মুখ বুঝে সহ্য করে চলেছে সাধারণ রোগীরা। ঢাকা মেডিকেলকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা অ্যাম্বুলেন্সের মালিকানায় রয়েছে হাসপাতালে কর্মরত ও সাবেক তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীরা।

এসব গাড়ির অধিকাংশ তৈরি করা হয়েছে মাইক্রোবাস কেটে। যাতে নেই অ্যাম্বুলেন্সের নুন্যতম সুযোগ-সুবিধা। বারবার অভিযোগের প্রেক্ষিতে গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি। তবে কোনো কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনই আর আলোর মুখ দেখেনি। কোনো না কোনোভাবে ম্যানেজ হয়ে যান তারা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে সরকারী কোনো প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থেকে কেউ কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারেন না। তবে কী করে ঢাকা মেডিকেলের কর্মচারীরা অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসা করছে? এর উত্তর দিতে নারাজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

অনুসন্ধানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মচারীদের অ্যাম্বুলেন্সের প্রাথমিক তথ্যে উঠে এসেছে:

৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী সুমন আলীর ১ টি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। অবসরে যাওয়া ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী জামাল সরদারের রয়েছে একটি। অবসরে যাওয়া ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী আব্দুস সোবহানের একটি। তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী আব্দুস সাত্তারের ১টি।

এছাড়াও ড্রাইভার মনির, দারোয়ান আবুল, সুইপার কামাল ও জসিমের রয়েছে একটি করে, দারোয়ান আবুলের ভাই ফারুকের ২টি, হারুন ভান্ডারির ও দিনারের মালিকানায় একটি।

অ্যাম্বুলেন্সের বৈধতা না থাকলেও এই চক্রের একটি কমিটিও রয়েছে যা দূর্ঘটনার পর থেকেই উধাও হয়ে গেছে। এর সভাপতি হারুন ভান্ডারি, সহ-সভাপতি আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ মোকলেস মোল্লা, সদস্য মোহাম্মদ শাহীন, খলিলুর রহমান, ইব্রাহিম বাকাউল।

এসব অবৈধ অ্যাম্বুলেন্স প্রশাসনের নাকের ডগা দিয়েই রমরমা বাণিজ্য চালাচ্ছে। তাদের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত রয়েছে মেডিকেলের আয়া, কেবিন বয়, ট্রলিবয়, ঝাড়ুদার, মেডিকেল ড্রাইভার। তাই কোন রোগী কোথায় যাবে তা তাৎক্ষণিক যেনে যাচ্ছে দালাল চক্র।

তখনই চলছে রোগীর সঙ্গে তাদের দেন-দরবার। সে সঙ্গে আয়া, কেবিন বয়, ট্রলিবয় ও ঝাড়ুদার বকসিস হিসেবে পেয়ে যাচ্ছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত। মেডিকেলের বাইরে কড়াকড়ি চললেও নিরাচদেই চলছে দালালদের তৎপরতা।

রোগীর স্বজনদের সঙ্গে বনিবনা হয়ে গেলেই মেডিকেল গেটে পৌঁছে যাচ্ছে অ্যাম্বুলেন্স।

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর

পুরনো সংবাদ

শুক্র
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
 
০১
০২
০৩
০৪
০৫
০৬
০৭
০৮
০৯
১০
১১
১২
১৩
১৪
১৫
১৬
১৭
১৮
১৯
২০
২১
২২
২৩
২৪
২৫
২৬
২৭
২৮
২৯
৩০