বিশেষ প্রতিবেদন

মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৬ (১৪:৫৬)

ডিএমসির অধিকাংশ অ্যাম্বুলেন্সের মালিক ২য়-৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী

অ্যাম্বুলেন্স

অনুমোদনহীন অ্যাম্বুলেন্সের অধিকাংশের মালিক ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ডিএমসি) হাসপাতালের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কিছু কর্মচারী। গণমাধ্যম পেশায় আছেন এমন কেউ কেউ এসব অ্যাম্বুলেন্সের মালিকানার অংশীদার বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আর সরকারী হাসপাতালে নিয়োজিত কোনো কর্মকর্তা কর্মচারী ব্যক্তি মালিকানাধীন কোনো অ্যাম্বুলেন্স সেবা দিতে না পারলেও বাস্তবতা ভিন্ন। এসব ব্যাপারে অভিযোগ উঠলে তদন্ত কমিটি হয় তবে কোনো প্রতিবেদন আর আলোর মুখ দেখে না। অভিযোগ রয়েছে দালাল চক্র টাকা দিয়ে সহজেই হাত করে ফেলে এসব তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের।

দীর্ঘ দিন ধরে চলমান অ্যাম্বুলেন্স দালাল চক্রের দৌরাত্ম অনেকটা মুখ বুঝে সহ্য করে চলেছে সাধারণ রোগীরা। ঢাকা মেডিকেলকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা অ্যাম্বুলেন্সের মালিকানায় রয়েছে হাসপাতালে কর্মরত ও সাবেক তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীরা।

এসব গাড়ির অধিকাংশ তৈরি করা হয়েছে মাইক্রোবাস কেটে। যাতে নেই অ্যাম্বুলেন্সের নুন্যতম সুযোগ-সুবিধা। বারবার অভিযোগের প্রেক্ষিতে গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি। তবে কোনো কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনই আর আলোর মুখ দেখেনি। কোনো না কোনোভাবে ম্যানেজ হয়ে যান তারা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে সরকারী কোনো প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থেকে কেউ কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারেন না। তবে কী করে ঢাকা মেডিকেলের কর্মচারীরা অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসা করছে? এর উত্তর দিতে নারাজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

অনুসন্ধানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মচারীদের অ্যাম্বুলেন্সের প্রাথমিক তথ্যে উঠে এসেছে:

৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী সুমন আলীর ১ টি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। অবসরে যাওয়া ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী জামাল সরদারের রয়েছে একটি। অবসরে যাওয়া ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী আব্দুস সোবহানের একটি। তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী আব্দুস সাত্তারের ১টি।

এছাড়াও ড্রাইভার মনির, দারোয়ান আবুল, সুইপার কামাল ও জসিমের রয়েছে একটি করে, দারোয়ান আবুলের ভাই ফারুকের ২টি, হারুন ভান্ডারির ও দিনারের মালিকানায় একটি।

অ্যাম্বুলেন্সের বৈধতা না থাকলেও এই চক্রের একটি কমিটিও রয়েছে যা দূর্ঘটনার পর থেকেই উধাও হয়ে গেছে। এর সভাপতি হারুন ভান্ডারি, সহ-সভাপতি আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ মোকলেস মোল্লা, সদস্য মোহাম্মদ শাহীন, খলিলুর রহমান, ইব্রাহিম বাকাউল।

এসব অবৈধ অ্যাম্বুলেন্স প্রশাসনের নাকের ডগা দিয়েই রমরমা বাণিজ্য চালাচ্ছে। তাদের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত রয়েছে মেডিকেলের আয়া, কেবিন বয়, ট্রলিবয়, ঝাড়ুদার, মেডিকেল ড্রাইভার। তাই কোন রোগী কোথায় যাবে তা তাৎক্ষণিক যেনে যাচ্ছে দালাল চক্র।

তখনই চলছে রোগীর সঙ্গে তাদের দেন-দরবার। সে সঙ্গে আয়া, কেবিন বয়, ট্রলিবয় ও ঝাড়ুদার বকসিস হিসেবে পেয়ে যাচ্ছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত। মেডিকেলের বাইরে কড়াকড়ি চললেও নিরাচদেই চলছে দালালদের তৎপরতা।

রোগীর স্বজনদের সঙ্গে বনিবনা হয়ে গেলেই মেডিকেল গেটে পৌঁছে যাচ্ছে অ্যাম্বুলেন্স।

এছাড়াও রয়েছে

কোটা বাতিলে সাংবিধানিকভাবে সমস্যা নেই, সংস্কারই শ্রেয়

সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতির সংস্কার চান বিশ্লেষকেরা

সহায়ক বাণিজ্য পরিবেশ পেলে ব্যবসায়ীরা চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত

নেপালে বিমান বিধস্ত: এয়ার কন্ট্রোল রুমের অডিও রেকর্ড সঠিক নয়

অবাধ- সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচনই সবার প্রত্যাশা

খালেদা জিয়া জামিন পাবেন, দাবি আইনজীবীদের

বিএনপির ৭ ধারা: সংবিধান-গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের সঙ্গে সাংঘর্ষিক- নৈতিকতাবিরোধী

নেত্রীর রায় ঘোষণার পর বদলে গেছে বিএনপির হিসাব নিকাশ

কমনওয়েলথের নতুন নেতা প্রিন্স চার্ল

ভারতের প্রধান বিচারপতিকে অভিশংসনের জন্য নোটিশ

গাজীপুর সিটি নির্বাচনে আ’লীগ প্রার্থী সমর্থন দিয়েছে জাপা

নেপালের বিমানবন্দরে ১৩৯ যাত্রী নিয়ে ছিটকে পড়লো মালয়েশীয় প্লেন