সদ্য পাওয়া
Desh TV Logo জাতীয়: তথ্য অধিকার আইন ও প্রেস কাউন্সিল অ্যাক্টের সম্পূর্ণ পরিপন্থি আইসিটি আইনের ৫৭ ধারা: গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা Desh TV Logo দেশের মধ্য ও নিম্নাঞ্চলে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা রয়েছে: দুর্যোগমন্ত্রী Desh TV Logo ২০১৬ সালে বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে, তবে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ দমনে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার: যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিবেদন Desh TV Logo ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে রাজধানীর কদমতলী থেকে আটক ৫ Desh TV Logo অধিকারের সম্পাদক আদিলুর রহমান মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটক Desh TV Logo কুমিল্লার হোমনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু Desh TV Logo আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে নাটোরে ৮৮, দিনাজপুরে ৪৫ ও নড়াইলে ১৫ জন আটক Desh TV Logo ভোলার লালমোহনের মেঘনায় ট্রলার ডুবে দুই জেলের মৃত্যু Desh TV Logo আন্তর্জাতিক: ইরান সন্ত্রাসবাদের প্রধান মদদদাতা দেশ: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিবেদন Desh TV Logo ভারতের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফল প্রকাশ আজ, ভোটগণনা চলছে Desh TV Logo ভারতের হিমাচল প্রদেশে যাত্রীবাহী বাস খাদে, কমপক্ষে ২০ জন নিহত হওয়ার আশঙ্কা Desh TV Logo মার্কিন সিনেটর জন ম্যাকেইন মস্তিষ্কের ক্যান্সারে আক্রান্ত Desh TV Logo দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট লুলা ডি সিলভার সম্পদ জব্দের নির্দেশ আদালতের Desh TV Logo খেলা: ক্রিকেট: আইসিসি নারী বিশ্বকাপ: ২য় সেমিফাইনালে বিকেল সাড়ে ৩টায় মুখোমুখি হবে ভারত-অস্ট্রেলিয়া Desh TV Logo ফুটবল: ইউরো নারী চ্যাম্পিয়নশিপ: ডি-গ্রুপের ম্যচে স্কটল্যান্ডকে ৬-০ গোলে হারিয়েছে ইংল্যান্ড (জোডি টেইলরের হ্যাটট্রিক); পর্তুগালের বিপক্ষে ২-০ গোলের জয় স্পেনের Desh TV Logo দেশ টিভির সংবাদ দেখুন সকাল সাড়ে ৭টা, ১০টা, বেলা ১২টা, দুপুর ২টা, বিকাল ৪টা, সন্ধ্যা ৭টা, রাত ৯টা, ১১টা এবং ১টায়

ডিএমসির অধিকাংশ অ্যাম্বুলেন্সের মালিক ২য়-৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী

মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৬ (১৪:৫৬)
ডিএমসির-অধিকাংশ-অ্যাম্বুলেন্সের-মালিক-২য়-৪র্থ-শ্রেণীর-কর্মচারী

অ্যাম্বুলেন্স

অনুমোদনহীন অ্যাম্বুলেন্সের অধিকাংশের মালিক ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ডিএমসি) হাসপাতালের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কিছু কর্মচারী। গণমাধ্যম পেশায় আছেন এমন কেউ কেউ এসব অ্যাম্বুলেন্সের মালিকানার অংশীদার বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আর সরকারী হাসপাতালে নিয়োজিত কোনো কর্মকর্তা কর্মচারী ব্যক্তি মালিকানাধীন কোনো অ্যাম্বুলেন্স সেবা দিতে না পারলেও বাস্তবতা ভিন্ন। এসব ব্যাপারে অভিযোগ উঠলে তদন্ত কমিটি হয় তবে কোনো প্রতিবেদন আর আলোর মুখ দেখে না। অভিযোগ রয়েছে দালাল চক্র টাকা দিয়ে সহজেই হাত করে ফেলে এসব তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের।

দীর্ঘ দিন ধরে চলমান অ্যাম্বুলেন্স দালাল চক্রের দৌরাত্ম অনেকটা মুখ বুঝে সহ্য করে চলেছে সাধারণ রোগীরা। ঢাকা মেডিকেলকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা অ্যাম্বুলেন্সের মালিকানায় রয়েছে হাসপাতালে কর্মরত ও সাবেক তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীরা।

এসব গাড়ির অধিকাংশ তৈরি করা হয়েছে মাইক্রোবাস কেটে। যাতে নেই অ্যাম্বুলেন্সের নুন্যতম সুযোগ-সুবিধা। বারবার অভিযোগের প্রেক্ষিতে গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি। তবে কোনো কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনই আর আলোর মুখ দেখেনি। কোনো না কোনোভাবে ম্যানেজ হয়ে যান তারা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে সরকারী কোনো প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থেকে কেউ কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারেন না। তবে কী করে ঢাকা মেডিকেলের কর্মচারীরা অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসা করছে? এর উত্তর দিতে নারাজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

অনুসন্ধানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মচারীদের অ্যাম্বুলেন্সের প্রাথমিক তথ্যে উঠে এসেছে:

৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী সুমন আলীর ১ টি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। অবসরে যাওয়া ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী জামাল সরদারের রয়েছে একটি। অবসরে যাওয়া ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী আব্দুস সোবহানের একটি। তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী আব্দুস সাত্তারের ১টি।

এছাড়াও ড্রাইভার মনির, দারোয়ান আবুল, সুইপার কামাল ও জসিমের রয়েছে একটি করে, দারোয়ান আবুলের ভাই ফারুকের ২টি, হারুন ভান্ডারির ও দিনারের মালিকানায় একটি।

অ্যাম্বুলেন্সের বৈধতা না থাকলেও এই চক্রের একটি কমিটিও রয়েছে যা দূর্ঘটনার পর থেকেই উধাও হয়ে গেছে। এর সভাপতি হারুন ভান্ডারি, সহ-সভাপতি আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ মোকলেস মোল্লা, সদস্য মোহাম্মদ শাহীন, খলিলুর রহমান, ইব্রাহিম বাকাউল।

এসব অবৈধ অ্যাম্বুলেন্স প্রশাসনের নাকের ডগা দিয়েই রমরমা বাণিজ্য চালাচ্ছে। তাদের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত রয়েছে মেডিকেলের আয়া, কেবিন বয়, ট্রলিবয়, ঝাড়ুদার, মেডিকেল ড্রাইভার। তাই কোন রোগী কোথায় যাবে তা তাৎক্ষণিক যেনে যাচ্ছে দালাল চক্র।

তখনই চলছে রোগীর সঙ্গে তাদের দেন-দরবার। সে সঙ্গে আয়া, কেবিন বয়, ট্রলিবয় ও ঝাড়ুদার বকসিস হিসেবে পেয়ে যাচ্ছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত। মেডিকেলের বাইরে কড়াকড়ি চললেও নিরাচদেই চলছে দালালদের তৎপরতা।

রোগীর স্বজনদের সঙ্গে বনিবনা হয়ে গেলেই মেডিকেল গেটে পৌঁছে যাচ্ছে অ্যাম্বুলেন্স।

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর

পুরনো সংবাদ

শুক্র
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
 
০১
০২
০৩
০৪
০৫
০৬
০৭
০৮
০৯
১০
১১
১২
১৩
১৪
১৫
১৬
১৭
১৮
১৯
২০
২১
২২
২৩
২৪
২৫
২৬
২৭
২৮
২৯
৩০
৩১