সদ্য পাওয়া
Desh TV Logo জাতীয়: রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ায় জাতিসংঘ মহাসচিব প্রশংসা করেছেন, তিনি বাংলাদেশের পাশেই আছেন, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারকে চাপ প্রয়োগে ওআইসি’র প্রতি আহ্বান, রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্ব সম্প্রদায় বাংলাদেশের প্রশংসা করেছে: নিউইয়র্কে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা Desh TV Logo রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে জাতিসংঘে ৫ দফা প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান Desh TV Logo রাখাইনে রোহিঙ্গা গ্রামে বাড়িঘরে এখনো আগুন জ্বলছে: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল Desh TV Logo রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসনে সেনাবাহিনী কাজ শুরু করেছে Desh TV Logo জঙ্গি অর্থায়নে জড়িত থাকার অভিযোগে রাজধানী থেকে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যা ব Desh TV Logo নওগাঁয় বাসের ধাক্কায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত Desh TV Logo আন্তর্জাতিক: জম্মু ও কাশ্মির সীমান্তে ভারতীয় সেনাবাহিনীর গুলিতে ৬ পাকিস্তানি নাগরিক নিহত, দাবি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর Desh TV Logo মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং উত্তর কোরীয় নেতা উনের বাকযুদ্ধকে কিন্ডাগার্টেনের শিশুদের ঝগড়ার সঙ্গে তুলনা করেছেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী Desh TV Logo জার্মানিতে কাল জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ, জনমত জরিপে প্রতিদ্বন্দ্বী মার্টিন শুলজের চেয়ে এগিয়ে চ্যান্সেলর মেরকেল Desh TV Logo ইন্দোনেশিয়ার বালিতে আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের আশঙ্কা, সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি, ১০ হাজার লোককে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে Desh TV Logo খেলা: ক্রিকেট: বেনোনিতে প্রস্তুতি ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ব্যাট করছে বাংলাদেশ; স্কোর: বাংলাদেশ-৩০৬/৭ ডি. ও ৬/০ (ইমরুল ৪*, লিটন ২*), দক্ষিণ আফ্রিকা আমন্ত্রিত একাদশ ৩১৩/৮ ডি. Desh TV Logo ই ডেন গার্ডেন্সে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়াকে ৫০ রানে হারিয়েছে ভারত Desh TV Logo ফুটবল: উলফসবুর্গের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ২-২ গোলে ড্র করেছে বায়ার্ন মিউনিখ Desh TV Logo দেশ টিভির সংবাদ দেখুন সকাল সাড়ে ৭টা, ১০টা, বেলা ১২টা, দুপুর ২টা, বিকাল ৪টা, সন্ধ্যা ৭টা, রাত ৯টা, ১১টা এবং ১টায়

ডিএমসির অধিকাংশ অ্যাম্বুলেন্সের মালিক ২য়-৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী

মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৬ (১৪:৫৬)
ডিএমসির-অধিকাংশ-অ্যাম্বুলেন্সের-মালিক-২য়-৪র্থ-শ্রেণীর-কর্মচারী

অ্যাম্বুলেন্স

অনুমোদনহীন অ্যাম্বুলেন্সের অধিকাংশের মালিক ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ডিএমসি) হাসপাতালের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কিছু কর্মচারী। গণমাধ্যম পেশায় আছেন এমন কেউ কেউ এসব অ্যাম্বুলেন্সের মালিকানার অংশীদার বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আর সরকারী হাসপাতালে নিয়োজিত কোনো কর্মকর্তা কর্মচারী ব্যক্তি মালিকানাধীন কোনো অ্যাম্বুলেন্স সেবা দিতে না পারলেও বাস্তবতা ভিন্ন। এসব ব্যাপারে অভিযোগ উঠলে তদন্ত কমিটি হয় তবে কোনো প্রতিবেদন আর আলোর মুখ দেখে না। অভিযোগ রয়েছে দালাল চক্র টাকা দিয়ে সহজেই হাত করে ফেলে এসব তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের।

দীর্ঘ দিন ধরে চলমান অ্যাম্বুলেন্স দালাল চক্রের দৌরাত্ম অনেকটা মুখ বুঝে সহ্য করে চলেছে সাধারণ রোগীরা। ঢাকা মেডিকেলকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা অ্যাম্বুলেন্সের মালিকানায় রয়েছে হাসপাতালে কর্মরত ও সাবেক তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীরা।

এসব গাড়ির অধিকাংশ তৈরি করা হয়েছে মাইক্রোবাস কেটে। যাতে নেই অ্যাম্বুলেন্সের নুন্যতম সুযোগ-সুবিধা। বারবার অভিযোগের প্রেক্ষিতে গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি। তবে কোনো কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনই আর আলোর মুখ দেখেনি। কোনো না কোনোভাবে ম্যানেজ হয়ে যান তারা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে সরকারী কোনো প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থেকে কেউ কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারেন না। তবে কী করে ঢাকা মেডিকেলের কর্মচারীরা অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসা করছে? এর উত্তর দিতে নারাজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

অনুসন্ধানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মচারীদের অ্যাম্বুলেন্সের প্রাথমিক তথ্যে উঠে এসেছে:

৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী সুমন আলীর ১ টি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। অবসরে যাওয়া ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী জামাল সরদারের রয়েছে একটি। অবসরে যাওয়া ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী আব্দুস সোবহানের একটি। তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী আব্দুস সাত্তারের ১টি।

এছাড়াও ড্রাইভার মনির, দারোয়ান আবুল, সুইপার কামাল ও জসিমের রয়েছে একটি করে, দারোয়ান আবুলের ভাই ফারুকের ২টি, হারুন ভান্ডারির ও দিনারের মালিকানায় একটি।

অ্যাম্বুলেন্সের বৈধতা না থাকলেও এই চক্রের একটি কমিটিও রয়েছে যা দূর্ঘটনার পর থেকেই উধাও হয়ে গেছে। এর সভাপতি হারুন ভান্ডারি, সহ-সভাপতি আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ মোকলেস মোল্লা, সদস্য মোহাম্মদ শাহীন, খলিলুর রহমান, ইব্রাহিম বাকাউল।

এসব অবৈধ অ্যাম্বুলেন্স প্রশাসনের নাকের ডগা দিয়েই রমরমা বাণিজ্য চালাচ্ছে। তাদের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত রয়েছে মেডিকেলের আয়া, কেবিন বয়, ট্রলিবয়, ঝাড়ুদার, মেডিকেল ড্রাইভার। তাই কোন রোগী কোথায় যাবে তা তাৎক্ষণিক যেনে যাচ্ছে দালাল চক্র।

তখনই চলছে রোগীর সঙ্গে তাদের দেন-দরবার। সে সঙ্গে আয়া, কেবিন বয়, ট্রলিবয় ও ঝাড়ুদার বকসিস হিসেবে পেয়ে যাচ্ছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত। মেডিকেলের বাইরে কড়াকড়ি চললেও নিরাচদেই চলছে দালালদের তৎপরতা।

রোগীর স্বজনদের সঙ্গে বনিবনা হয়ে গেলেই মেডিকেল গেটে পৌঁছে যাচ্ছে অ্যাম্বুলেন্স।

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর

পুরনো সংবাদ

শুক্র
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
০১
০২
০৩
০৪
০৫
০৬
০৭
০৮
০৯
১০
১১
১২
১৩
১৪
১৫
১৬
১৭
১৮
১৯
২০
২১
২২
২৩
২৪
২৫
২৬
২৭
২৮
২৯
৩০