সদ্য পাওয়া
Desh TV Logo জাতীয়: পালিয়ে যাওয়া জঙ্গিদের ধরতে সাভারের নামাগেন্ডা এলাকা ঘিরে রাখা ভবনে অভিযান সমাপ্ত করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী Desh TV Logo সুপ্রিম কোর্টের সামনে থেকে ভাস্কর্য সরিয়ে কোনো ভুল হয়নি, বরং ইসলামসহ অন্য ধর্মের প্রতি সম্মান জানানো হয়েছে: আইনমন্ত্রী Desh TV Logo মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত কোনো ভাস্কর্য অপসারণ করা হবে না: ওবায়দুল কাদের Desh TV Logo চলতি অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৮ হাজার কোটি টাকা কম রাজস্ব আদায়: সিপিডি, ভ্যাটের হার ১২% করার প্রস্তাব Desh TV Logo গণভবনের সামনে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনের সময় গুলিবিদ্ধ এসপিবিএন সদস্য মারা গেছেন Desh TV Logo ময়মনসিংহ, গাইবান্ধা, দিনাজপুর, নড়াইল ও পিরোজপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১১, আহত ২০ Desh TV Logo নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মসজিদের ঈমাম কুপিয়ে হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ Desh TV Logo খুলনায় বিএনপি নেতা হত্যার প্রতিবাদে জেলায় আধাবেলা হরতাল পালিত Desh TV Logo রাতের আধারে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গন থেকে ভাস্কর্য অপসারণের প্রতিবাদে সারাদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ কর্মসূচি চলছে Desh TV Logo লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে সেপটিক ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করতে গিয়ে ২ জনের মৃত্যু Desh TV Logo সড়ক দুর্ঘটনায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিহতের প্রতিবাদে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ Desh TV Logo মৌলভীবাজারের রাজনগরে ব্যবসায়ীর বাড়িতে ডাকাতের হামলায় ৮ জন আহত Desh TV Logo রোববার রোজা শুরু, আজ রাতে সাহরি Desh TV Logo আন্তর্জাতিক: মিসরে বাসে হামলা চলিয়ে কপ্টিক খ্রিস্টানদের হত্যার পর দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী সন্ত্রাসী প্রশিক্ষণ ক্যাম্পগুলোতে বিমান হামলা চালিয়েছে Desh TV Logo শ্রীলঙ্কায় ভূমিধসে নিহত ৯১, নিখোঁজ ১১০ জন Desh TV Logo সৌদি আরবসহ আশেপাশের দেশগুলোতে শনিবার থেকে রোজা শুরু Desh TV Logo খেলা: ক্রিকেট: আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রস্তুতি ম্যাচে বার্মিংহামে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ (বিকেল সাড়ে ৩টা) Desh TV Logo দুই বছরের চুক্তিতে বিপিএল দল খুলনা টাইটান্সের কোচ হলেন শ্রীলঙ্কার মাহেলা জয়াবর্ধনে Desh TV Logo দেশ টিভির সংবাদ দেখুন সকাল সাড়ে ৭টা, ১০টা, বেলা ১২টা, দুপুর ২টা, বিকেল ৪টা, সন্ধ্যা ৭টা, রাত ৯টা, ১১টা এবং ১টায়

ডিএমসির অধিকাংশ অ্যাম্বুলেন্সের মালিক ২য়-৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী

মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৬ (১৪:৫৬)
ডিএমসির-অধিকাংশ-অ্যাম্বুলেন্সের-মালিক-২য়-৪র্থ-শ্রেণীর-কর্মচারী

অ্যাম্বুলেন্স

অনুমোদনহীন অ্যাম্বুলেন্সের অধিকাংশের মালিক ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ডিএমসি) হাসপাতালের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কিছু কর্মচারী। গণমাধ্যম পেশায় আছেন এমন কেউ কেউ এসব অ্যাম্বুলেন্সের মালিকানার অংশীদার বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আর সরকারী হাসপাতালে নিয়োজিত কোনো কর্মকর্তা কর্মচারী ব্যক্তি মালিকানাধীন কোনো অ্যাম্বুলেন্স সেবা দিতে না পারলেও বাস্তবতা ভিন্ন। এসব ব্যাপারে অভিযোগ উঠলে তদন্ত কমিটি হয় তবে কোনো প্রতিবেদন আর আলোর মুখ দেখে না। অভিযোগ রয়েছে দালাল চক্র টাকা দিয়ে সহজেই হাত করে ফেলে এসব তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের।

দীর্ঘ দিন ধরে চলমান অ্যাম্বুলেন্স দালাল চক্রের দৌরাত্ম অনেকটা মুখ বুঝে সহ্য করে চলেছে সাধারণ রোগীরা। ঢাকা মেডিকেলকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা অ্যাম্বুলেন্সের মালিকানায় রয়েছে হাসপাতালে কর্মরত ও সাবেক তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীরা।

এসব গাড়ির অধিকাংশ তৈরি করা হয়েছে মাইক্রোবাস কেটে। যাতে নেই অ্যাম্বুলেন্সের নুন্যতম সুযোগ-সুবিধা। বারবার অভিযোগের প্রেক্ষিতে গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি। তবে কোনো কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনই আর আলোর মুখ দেখেনি। কোনো না কোনোভাবে ম্যানেজ হয়ে যান তারা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে সরকারী কোনো প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থেকে কেউ কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারেন না। তবে কী করে ঢাকা মেডিকেলের কর্মচারীরা অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসা করছে? এর উত্তর দিতে নারাজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

অনুসন্ধানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মচারীদের অ্যাম্বুলেন্সের প্রাথমিক তথ্যে উঠে এসেছে:

৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী সুমন আলীর ১ টি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। অবসরে যাওয়া ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী জামাল সরদারের রয়েছে একটি। অবসরে যাওয়া ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী আব্দুস সোবহানের একটি। তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী আব্দুস সাত্তারের ১টি।

এছাড়াও ড্রাইভার মনির, দারোয়ান আবুল, সুইপার কামাল ও জসিমের রয়েছে একটি করে, দারোয়ান আবুলের ভাই ফারুকের ২টি, হারুন ভান্ডারির ও দিনারের মালিকানায় একটি।

অ্যাম্বুলেন্সের বৈধতা না থাকলেও এই চক্রের একটি কমিটিও রয়েছে যা দূর্ঘটনার পর থেকেই উধাও হয়ে গেছে। এর সভাপতি হারুন ভান্ডারি, সহ-সভাপতি আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ মোকলেস মোল্লা, সদস্য মোহাম্মদ শাহীন, খলিলুর রহমান, ইব্রাহিম বাকাউল।

এসব অবৈধ অ্যাম্বুলেন্স প্রশাসনের নাকের ডগা দিয়েই রমরমা বাণিজ্য চালাচ্ছে। তাদের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত রয়েছে মেডিকেলের আয়া, কেবিন বয়, ট্রলিবয়, ঝাড়ুদার, মেডিকেল ড্রাইভার। তাই কোন রোগী কোথায় যাবে তা তাৎক্ষণিক যেনে যাচ্ছে দালাল চক্র।

তখনই চলছে রোগীর সঙ্গে তাদের দেন-দরবার। সে সঙ্গে আয়া, কেবিন বয়, ট্রলিবয় ও ঝাড়ুদার বকসিস হিসেবে পেয়ে যাচ্ছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত। মেডিকেলের বাইরে কড়াকড়ি চললেও নিরাচদেই চলছে দালালদের তৎপরতা।

রোগীর স্বজনদের সঙ্গে বনিবনা হয়ে গেলেই মেডিকেল গেটে পৌঁছে যাচ্ছে অ্যাম্বুলেন্স।

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর

পুরনো সংবাদ

শুক্র
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
 
 
 
০১
০২
০৩
০৪
০৫
০৬
০৭
০৮
০৯
১০
১১
১২
১৩
১৪
১৫
১৬
১৭
১৮
১৯
২০
২১
২২
২৩
২৪
২৫
২৬
২৭
২৮
২৯
৩০
৩১