বিশেষ প্রতিবেদন

মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৬ (১৫:০১)

ডিএমসি কর্তৃপক্ষও অসহায় অ্যাম্বুলেন্স দালাল চক্রের কাছে

ডিএমসি

অ্যাম্বুলেন্স দালাল চক্রের হাতে জিম্মি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রোগীরা। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী বা চিকিৎসার জন্য অন্য কোথাও যেতে এবং মরদেহ বহনের ক্ষেত্রে কৌশলে দালালরা তাদের চক্রের অনুমোদনহীন অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করতে বাধ্য করে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ডিএমসি) কর্তৃপক্ষও এসব দালাল চক্রের কাছে যেন অসহায়।

সরকারি অ্যাম্বুলেন্স না থাকায় রোগীদের অসহায় অবস্থাকে জিম্মি করে চক্রটি হাতিয়ে নিচ্ছে বড় অংকের অর্থ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বেধে দেয়া নিয়মনীতির কোনো ধরণের তোয়াক্কা না করেই লক্কর-ঝক্কর মাইক্রোবাসেই চলছে এ সেবা।

সরকারী হাসপাতালগুলোর মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালই দেশের সব রোগির কাছে কাংখিত। এ হাসপাতালে প্রতিদিনই রাজধানীসহ সারাদেশের অগণিত রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। দেশের বিভিন্ন সরকারি - বেসরকারি হাসপাতাল থেকেও উন্নত চিকিৎসার জন্য এখানে রোগী পাঠানো হয়।

আবার অন্যদিকে প্রতিদিনই চিকিৎসা শেষে অসংখ্য রোগী হাসপাতাল ছেড়ে যান আবার অনেক রোগীর মরদেহও নিয়ে যেতে হয়।

এসব অনেক ক্ষেত্রেই অ্যাম্বূলেন্স দরকার হয় তবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বার্ণ ইউনিটে রয়েছে মোট ৭টি অ্যাম্বুলেন্স। এরমধ্যে একটি মেরামতযোগ্য।

সচল থাকা ৬টি গাড়ি দিয়ে প্রতিদিনের রোগীদের সেবা দেয়া এক কথায় অসম্ভব। সে সেবাও শুধু রাজধানীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

সরকারিঅ্যাম্বুলেন্স দালাল চক্রের হাতে জিম্মি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রোগীরা। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী বা চিকিৎসার জন্য অন্য কোথাও যেতে এবং মরদেহ বহনের ক্ষেত্রে কৌশলে দালালরা তাদের চক্রের অনুমোদনহীন অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করতে বাধ্য করে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ডিএমসি) কর্তৃপক্ষও এসব দালাল চক্রের কাছে যেন অসহায়।

সরকারি অ্যাম্বুলেন্স না থাকায় রোগীদের অসহায় অবস্থাকে জিম্মি করে চক্রটি হাতিয়ে নিচ্ছে বড় অংকের অর্থ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বেধে দেয়া নিয়মনীতির কোনো ধরণের তোয়াক্কা না করেই লক্কর-ঝক্কর মাইক্রোবাসেই চলছে এ সেবা।

সরকারী হাসপাতালগুলোর মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালই দেশের সব রোগির কাছে কাংখিত। এ হাসপাতালে প্রতিদিনই রাজধানীসহ সারাদেশের অগণিত রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। দেশের বিভিন্ন সরকারী - বেসরকারী হাসপাতাল থেকেও উন্নত চিকিৎসার জন্য এখানে রোগী পাঠানো হয়।

আবার অন্যদিকে প্রতিদিনই চিকিৎসা শেষে অসংখ্য রোগী হাসপাতাল ছেড়ে যান আবার অনেক রোগীর মরদেহও নিয়ে যেতে হয়।

এসব অনেক ক্ষেত্রেই অ্যাম্বূলেন্স দরকার হয় তবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বার্ণ ইউনিটে রয়েছে মোট ৭টি অ্যাম্বুলেন্স। এরমধ্যে একটি মেরামতযোগ্য।

সচল থাকা ৬ টি গাড়ি দিয়ে প্রতিদিনের রোগীদের সেবা দেয়া এক কথায় অসম্ভব। সে সেবাও শুধু রাজধানীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

সরকারী অ্যাম্বুলেন্সের অপ্রতুলতা ও সীমাবদ্ধতার সুযোগে অনুমোদনহীন. লক্কর-ঝক্কর মার্কা মাইক্রোবাসকে রুপান্তর করে অ্যাম্বুলেন্স হিসবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এ অনুমতিহীন ব্যবসা নিয়ে দেড় -দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে সক্রিয় অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মাত্র ৬টি অ্যাম্বুলেন্সে যেখানে সেবা দিতে হিমশিম খাওয়ার কথা সেখানে সরকারী লগবইয়ের তথ্য বলছে তেমন কোনো কাজই নেই এসব অ্যাম্বুলেন্সের।

আর দীর্ঘ দিনের দালাল চক্র ঢাকা মেডিকেল কলেজের কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাকে কাজে লাগিয়ে চালাচ্ছে রমরমা বাণিজ্য। অ্যাম্বুলেন্সের অপ্রতুলতা ও সীমাবদ্ধতার সুযোগে অনুমোদনহীন. লক্কর-ঝক্কর মার্কা মাইক্রোবাসকে রুপান্তর করে অ্যাম্বুলেন্স হিসবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এ অনুমতিহীন ব্যবসা নিয়ে দেড় -দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে সক্রিয় অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মাত্র ৬টি অ্যাম্বুলেন্সে যেখানে সেবা দিতে হিমশিম খাওয়ার কথা সেখানে সরকারী লগবইয়ের তথ্য বলছে তেমন কোনো কাজই নেই এসব অ্যাম্বুলেন্সের।

আর দীর্ঘ দিনের দালাল চক্র ঢাকা মেডিকেল কলেজের কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাকে কাজে লাগিয়ে চালাচ্ছে রমরমা বাণিজ্য।

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর

খালেদা জিয়া জামিন পাবেন, দাবি আইনজীবীদের

বিএনপির ৭ ধারা: সংবিধান-গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের সঙ্গে সাংঘর্ষিক- নৈতিকতাবিরোধী

নেত্রীর রায় ঘোষণার পর বদলে গেছে বিএনপির হিসাব নিকাশ

আপিল নিষ্পত্তি না পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন খালেদা জিয়া

খালেদার রায়ে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব নেই: ব্যারিস্টার সফিক

খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন, মতামত আইনজ্ঞদের

বেড়েছে শিশুদের ওপর হত্যা-ধর্ষণের ঘটনা

আগামী নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত হয়, মতামত বিশিষ্টজনদের

খালেদা জিয়া জামিন পাবেন, দাবি আইনজীবীদের

ছুটির দিনে প্রধানমন্ত্রী

যুদ্ধাপরাধের পৃষ্ঠপোষকদের ক্ষমা না করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান

রাখাইন সীমান্তে বেড়া নির্মাণে ১৫ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ