রাজনীতি

ksrm

রবিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৮ (১৬:৩৪)

ড. কামালের হাতে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন রেজা কিবরিয়া

রেজা কিবরিয়া

গণফোরামের সভাপতি ও ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের হাতে সাবেক অর্থমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রয়াত নেতা শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে অর্থনীতিবিদ রেজা কিবরিয়া আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণফোরামের পক্ষে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের হয়ে তিনি লড়বেন।

রোববার দুপুরে রাজধানীর মতিঝিলে গণফোরামের সভাপতি ও ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে দলের মনোনয়নপত্র জমা দেন রেজা কিবরিয়া।

নির্বাচনে তিনি হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে প্রার্থী হয়েছেন।

মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার পর সাংবাদিকদের রেজা কিবরিয়া বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবেন কামাল হোসেন। তরুণ প্রজন্মের কাছে আদর্শের বাংলাদেশ গড়ে তুলবেন তিনি।

নিজের বাবার দলে যোগ না দিয়ে ঐক্যফ্রন্টে যোগ দেওয়ার বিষয়ে রেজা কিবরিয়া বলেন, বাবার মতো তিনিও দলের চেয়ে দেশের স্বার্থে কাজ করতে চান।

তিনি হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে প্রার্থী হতে গণফোরামে যোগ দিয়েছেন।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে তিনি এ আসনে নির্বাচন করবেন বলে ঘোষণা দিয়ে শুক্রবার বিকেলে দেশে ফিরেন ড. রেজা কিবরিয়া।

উল্লখে, ২০০৫ সালে শাহ এ এম এস কিবরিয়া গ্রেনেড হামলায় নিহত হন। সেই হত্যাকাণ্ডের আসামি বিএনপির নেতা-কর্মীরা। ঐক্যফ্রন্টও এবার লড়বে বিএনপির মার্কা ধানের শীষে।

এ প্রসঙ্গে রেজা কিবরিয়া বলেন, খুনিরা কোনো দলের হয় না— তিনি এ জন্য কোনো দলকে দায়ী করতে চান না। খুনি সন্ত্রাসীদের বিচার চান।

তিনি আরও বলেন, তার বাবার হত্যার বিচার করার দায়িত্ব ছিল সরকারের। বিএনপি দুই বছর ও আওয়ামী লীগ ১০ বছর ক্ষমতায় থেকেও তাঁর বাবার হত্যার বিচার করেনি।

রেজা কিবরিয়ার সঙ্গে সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী প্রমুখ।

কিবরিয়া হত্যামামলার আসামি বিএনপি নেতাদের মধ্যে রয়েছেন সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র (বরখাস্ত) জি কে গউছ। এই মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর কারাগারে যেতে হয়েছিল তাদের, বরখাস্ত হতে হয় গউছকে।

খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, খালেদা জিয়া সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরও মামলার আসামি।

তিন দফা তদন্তের পর ২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। হত্যা ও বিস্ফোরক আইনের দুটি মামলা এখনও বিচারাধীন।

রেজা যে আসনে প্রার্থী হতে চান, সেই হবিগঞ্জ-১ থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া বিএনপি শেখ সুজাত মিয়া এবারও ভোটের লড়াইয়ে নামতে চান।

কিবরিয়াপুত্রের প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় পর্যায় কোনো সিদ্ধান্ত পাননি জানিয়ে ছাবির বলেন, আমাদের এখানে দলীয়ভাবে শেখ সুজাত সাহেবই যোগ্য প্রার্থী। আমরা তাকেই প্রার্থী হিসাবে দেখতে চাই।

তবে এখনও কোনো সিগনাল আমরা পাইনি দলের হাই কমান্ড কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেই অপেক্ষায় আছি জানান তিনি।

বাহুবল উপজেলা বিএনপির সভাপতি আকাদ্দছ মিয়া বাবুল বলেন, ড. রেজা কিবরিয়া ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হয়ে আসলে কেন্দ্রীয় নির্দেশ আমাদের মানতে হবে। কেন্দ্রে যাকে ধানের শীষ দেবে, আমরা তার পক্ষেই কাজ করব।

শাহ এ এম এস কিবরিয়া ২০০১ সালে হবিগঞ্জ-৩ (হবিগঞ্জ সদর-লাখাই) আসনের সাংসদ ছিলেন।

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ভেঙ্গে দিচ্ছে সরকার: ফখরুল

আন্দোলনেই খালেদা জিয়ার মুক্তি হবে : খন্দকার মোশাররফ

বিএনপি নেতা আমিনুল হক না ফেরার দেশে

খালেদা জিয়ার মুক্তি আইনি বিষয়: হানিফ

সংসদে যাবে না বিএনপি: নজরুল

জামিন যোগ্য মামলায় চেয়ারপারসনের প্যারোলের প্রশ্ন কেন?

নুসরাতসহ শিশুদের নিরাপত্তা দিতে রাষ্ট্র ব্যর্থ: ফখরুল

মুজিবনগর সরকার এ দেশের স্বাধীনতার লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়

সর্বশেষ খবর

ক্রাইস্টচার্চের প্রতিশোধ নিতেই শ্রীলঙ্কায় বোমা হামলা: প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী

নুসরাতের হত্যা: বোরকা ও হাতমোজা কিনে মনি-পপি

মানবতাবিরোধী অপরাধ: নেত্রকোণার ২ জনের রায় বুধবার

সয়াবিন কেজিতে ৮৫-চিনি ৪৭-মসুর ডাল ৪৪ টাকা দরে বিক্রি হবে