জাতীয়

ksrm

বুধবার, ১৭ এপ্রিল, ২০১৯ (১৪:০৮)

দুর্নীতিকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেয়া যাবে না: নসরুল হামিদ

দুর্নীতিকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেয়া যাবে না: নসরুল হামিদ

দুর্নীতিকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেয়া যাবে না–তিতাস গ্যাস স্বচ্ছতা, দুর্নীতি বিষয়ে অনুসন্ধান প্রতিবেদন পাওয়ার পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।

বুধবার সচিবালয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতি দমন কমিশনের করা প্রতিবেদন হাত পাওয়ার পর এ কথা বলেন তিনি।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর কাছে এ প্রতিবেদন তুলে দেন দুদক কমিশনার দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান।

মন্ত্রী বলেন, দুদককে সাধুবাদ জানাই এ প্রতিবেদনের জন্য, অনুসন্ধান প্রতিবেদনের মধ্যে দিয়ে আমাদের কাজ করা সহজ হবে। তারা বেশ কিছু জায়গায় উল্লেখ করেছে, আমরাও মনে করি সেগুলো অনুসন্ধান করা দরকার। আমরা জানতাম আগে থেকে, চেষ্টা করছি ঠিক করার জন্য এবং তাদের এ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আমরা আমাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজ করতে পারবো।

‘আমি মনে করি আরো ব্যাপকভাবে আরো বিস্তারিত রিপোর্ট তৈরি করার দরকার হয় আমরা তাদের সহযোগিতা করবো জানান মন্ত্রী।’

‘দুদক যে সুপারিশ করেছে সেটা যথাচ্ছ, সমস্ত সম্পদ জনগণের –প্রধানমন্ত্রী বার বার বলেছেন দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয়া যাবে না, জানান বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী।’

তিতাসের স্বচ্ছতা, দুর্নীতির বিষয়ে অনুসন্ধান প্রতিবেদন জমা দেন দুর্নীতি দমন কমিশনের-দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান।

বুধবার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর হাতে এ প্রতিবেদন তুলে দেন তিনি।

২২টি ক্ষেত্রে দুর্নীতি হয় তিতাসে; আর সবচেয়ে বেশি দুর্নীতির হয় অবৈধ গ্যাস সংযোগে; দুর্নীতি দমন কমিশন- দুদকের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। এতে মোট ১২ দফা সুপারিশ করেছে দুদক। জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে আজ এই প্রতিবেদন জমা দেন দুদক কমিশনার।

এরইমধ্যে দশটি মন্ত্রণালয়ে অনুসন্ধান চালিয়েছে দুদক।

তিতাসের স্বচ্ছতা ও দুর্নীতি বিষয়ে চালানো এ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অবৈধ গ্যাস সংযোগে বড় ধরণের দুর্নীতি হয়। বিশেষ করে শিল্প কারখানায় অবৈধ সংযোগ দিয়ে বেশ লাভবান তিতাসের কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা। এক্ষেত্রে বড় ধরনের অর্থ লেনদেন হয়। শক্তিশালী এই চক্রটির বিরুদ্ধে কখনো কখনো

অবৈধ সংযোগ বন্ধ করতে আদালতেরও শরণাপন্ন হতে হয় কর্তৃপক্ষকে। প্রতিবেদনে আরো জানানো হয়, এ পর্যন্ত ১ লাখ ১৮ হাজার অবৈধ সংযোগের সন্ধ্যান পাওয়া গেছে।

তারমধ্যে: অবৈধ সংযোগ বড় দুর্নীতির জায়গা,বিশেষ করে শিল্প কারখানায় গ্যাস সংযোগ দিয়ে বেশি লাভবান হয় তারা। কখনো কখনো অবৈধ সংযোগ বন্ধ করতে আদালতেও নেয়া হয়— যা এখানে বড় ধরনের অর্থ লেনদেন হয় বলে জানানো হয় প্রতিবেদনে। এতে কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়।

দুদকের অনুসন্ধানে ১ লাখ ১৮ হাজার অবৈধ সংযোগের সন্ধ্যান পাওয়া গেছে। আর গত ১৫-১৬ অর্থবছরে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেন অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারিরা।

বিদ্যুতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীরা—লাইন বাইপাস করা থেকে শুরু করে লোড বাড়ানো কমানো কাজ করে অর্থের বিনিময়ে করে তারা।

একটা নীতিমালা থাকা উচিত বলে মনে দুদকের কর্মকর্তা।

ইভিসি - ইলেক্ট্রনিক ভলিউম সিস্টেম—এটা কোনো কর্মকর্তা ব্যবহার করেন না, ভূয়া সংকেত দিয়ে বিল আদায়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানান দুদক কর্মকর্তা।

এশিয়ান টেক্সটাইল, বেক্সিমকোসহ অনেক প্রতিষ্ঠান নিয়মিত বিল দেয় না বলেও জানান তিনি।

দুদকের সুপারিশ: নীতি নির্ধারণে শক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে।

সিস্টেম লস ৬ % বলা হচ্ছে তা কমিয়ে ২% নিয়ে আসা উচিত। একটি আইনি বিভাগ থাকা উচিত। অডিট ব্যবস্থাকে শক্তভাবে নিয়ন্ত্রণ করা। ঘুষ খাওয়া কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া।

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

মির্জা ফখরুল দেশে ফিরছেন সন্ধ্যায়

রাজধানীতে কাভার্ডভ্যান চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর

কমলাপুরে টিকিট বিক্রির প্রথম দিনেই উপচেপড়া ভিড়

সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

পাকিস্তানিদের জন্য বাংলাদেশের ভিসা বন্ধ

বগুড়া-৬ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন জামান নিকেতা

আজ থেকে অফিস করবেন ওবায়দুল কাদের

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু আজ

সর্বশেষ খবর

মির্জা ফখরুল দেশে ফিরছেন সন্ধ্যায়

মেক্সিকোতে অপরাধী চক্রের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১০

ফের ওয়ানডে অলরাউন্ডার র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে সাকিব

রাজধানীতে কাভার্ডভ্যান চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর