জাতীয়

বৃহস্পতিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০১৮ (১৬:৫৭)

নির্বাচনকালীন সরকার গঠন শিগগিরই: অর্থমন্ত্রী

আবুল মাল আবদুল মুহিত

সরকারের ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানিয়েছেন।

তবে তফসিল ঘোষণার পর থেকে মন্ত্রীদের কার্যক্রম অনেকটা নিষ্ক্রীয়ই থাকবে বলে জানান তিনি।

তফসিলের সময় ঘনিয়ে আসায় বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা।

কালকে, কালকের পরে নির্বাচনকালীন সরকার হবে—এ উত্তর দেন তিনি।

সাংবাদিকরা জানতে চান, শুক্রবারই মন্ত্রিসভার পুনর্গঠন হচ্ছে কি না— জবাবে তিনি আরো বলেন, মনে হয় হচ্ছে।

মন্ত্রিসভায় নতুন করে কাউকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না- এ প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী বলেন, বোধ হয় হচ্ছে না।

অর্থমন্ত্রী বলেন, মোটামুটি নিশ্চিত কারণ সরকারটা তো কোয়ালিশন সরকার। এমন কোনো সদস্য নেই যাকে দেয়ার দরকার আছে। সুতরাং আমার মনে হয় না কোনো রকম অ্যাডিশন হতেই হবে।

চারজন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীর পদত্যাগপত্র গ্রহণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের মন্ত্রিত্ব থাকবে বলেও জানান মুহিত।

তিনি বলেন, তারা (পদত্যাগপত্র দেওয়া চার মন্ত্রী) এখনও আছেন, একসেপ্ট করতে হবে তো। একসেপ্ট সম্ভবত কালকে হবে। আজকে রাতেও হতে পারে।

ওই চার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে কে আসছেন জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, যারা আছেন তারাই কেউ চার্জে থাকবেন। যার মিনিস্ট্রে একটা আছে তার মিনিস্ট্রি দুইটা হয়ে যাবে।

আসন্ন নির্বাচনে আবার প্রার্থী হবেন কি-না সেই প্রশ্নে মুহিত বলেন, না না, আমি তো দাঁড়াব না, দ্যাটস মাই ডিসিশন। আমি নমিনেশন পেপার সাবমিট করব। ডামি কিছু সাবমিট করতে হয়। যদি আমার ক্যান্ডিডেট যে হবে সে মিস করে যায় তাহলে আমাকে দাঁড়াতে হবে… এ রকম ধরনের। ইট ইজ এ রুটিন ব্যাপার।

কেন নির্বাচনে দাঁড়াবেন না- সেই প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমি অবসর নিতে চাই, আমার মনে হয় আমার অবসর নেয়া উচিত।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার আগে শেষ কর্মদিবসে ঢিলেঢালা ছিল প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয়।

গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ছাড়া নিজ দপ্তরে আসেননি অনেক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী।

তবে সদ্য পদত্যাগপত্র জমা দেয়া টেকনোক্রাট কোটায় থাকা মন্ত্রীদের কেউ কেউ অফিস করেছেন।

ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে তফসিল ঘোষণার পর থেকে নিয়মিত কাজের বাইরে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না মন্ত্রিসভা এমনই বলা আছে সদ্য অনুমোদন পাওয়া সংশোধিত গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশে।

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা দাপ্তরিক কাজ করতে পারলেও সরকারি সুবিধা নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো এমনকি সরকারি বাংলোও পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারবেন না।

আজ -কৃহস্পতিবার তফসিল ঘোষণার আগে শেষ কর্মদিবসে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নিয়েছেন মন্ত্রীরা।

সরকারের ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির শেষ বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী কিছুটা আভাস দিয়েছেন নির্বাচনকালীন সরকার প্রসঙ্গে।

আইন অনুযায়ী ৯ নভেম্বর থেকে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কাজের সিদ্ধান্ত মন্ত্রীরা না নিতে পারলেও সচিবদের ওপরেই দায়িত্ব থাকবে বেশি বলে জানান শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

এদিকে, কয়েকদিন আগে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে টেকনোক্র্যাটে নিয়োগ পাওয়া চার মন্ত্রী পদত্যাগপত্র জমা দিলেও তা গৃহীত হয়নি। তাই নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার শেষ কর্মদিবসেও নিজ নিজ দপ্তরে উপস্থিত ছিলেন তারা।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম জানিয়েছেন, টেকনোক্র্যাট মন্ত্রিদের পদত্যাগপত্র গৃহীত হলেই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

গত ২২ অক্টোবর গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান মন্ত্রিসভায় ‘সব দলের’ প্রতিনিধিই আছেন। আর নির্বাচনকালীন সরকারের আকার ছোট করা হলে উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হতে পারে। ফলে এবার নির্বাচন সামনে রেখে মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের প্রয়োজন আছে বলে তিনি মনে করছেন না।

 

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ চেয়ে ঐক্যফ্রন্টের চিঠি

ড. কামাল হোসেনের দুঃখ প্রকাশ

পোশাক শ্রমিকরাদের বিশৃংখলায় না জড়ানোর আহ্বান

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আজ

শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

অসাম্প্রদায়িক চেতনার শক্তির বিজয় হবে: ওবায়দুল

দুর্নীতিবাজ-অপরাধীদের মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি: শেখ হাসিনা

আ.লীগ নির্বাচনে ১৬৮-২২২টি আসনে জয়ী হবে: জয়

সর্বশেষ খবর

পোশাক শ্রমিকরাদের বিশৃংখলায় না জড়ানোর আহ্বান

৩০০ আসনেই গণগ্রেপ্তার চলছে: রিজভী

আফ্রিকার বর্ষসেরা খেলোয়াড় সালাহ

বিএনপিকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেয়াই সরকারের উদ্দেশ্য: ফখরুল