জাতীয়

মঙ্গলবার, ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৭ (১৮:০৪)

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদশের দুই নারী পাইলট

ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট নাইমা হক ও ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তামান্না-ই-লুৎফী

প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদশের দুই নারী পাইলট।

ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট নাইমা হক ও ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তামান্না-ই-লুৎফী।

এ অর্জন দেশের সামরিক ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে।

ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট নাইমা হক ও তামান্না-ই-লুৎফী এমনই দুই আত্মপ্রত্যয়ী নারী যারা পাইলট হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে যাচ্ছেন।

এর মধ্য দিয়ে তারা তাদের স্বপ্নসারথী হয়েছেন তো বটেই দেশও বহির্বিশ্বে পরিচিতি পাবে ভিন্ন মর্যাদায়।

জাতিসংঘ শান্তি মিশনে বাংলাদেশ একটি উজ্জ্বল নাম তো হয়েই ছিল, এখন তামান্না-লুৎফীর অর্জন সেই উজ্জ্বলতাকে করবে আরও উজ্জলতর।

এ পর্যায়ে আসতে দুজনই বাহিনীর পাশাপাশি পেয়েছেন পরিবারের অকুণ্ঠ সমর্থন। এক বছরের জন্য আগামী বৃহস্পতিবার কঙ্গোর উদ্দেশে রওনা দেবেন এ দুই সাহসী নারী।

বাংলাদেশের সামরিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নারী বৈমানিক তারা। গতকাল সোমবার ঢাকা সেনানিবাসের বিমানবাহিনী ঘাঁটি বাশারের ৩১ স্কোয়াড্রনের মিলনায়তনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে তারা কথা বলেন।

১৪ বছর ধরে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সদস্যরা শান্তিরক্ষা মিশনে যাচ্ছেন এবং সাত বছর ধরে নারী কর্মকর্তারা যাচ্ছেন। কিন্তু নারী বৈমানিক এ দুজনের আগে কেউ যাননি। ৭ ডিসেম্বর কঙ্গোর উদ্দেশে রওনা দেবেন তারা।

নাইমা ও তামান্না দুজনেরই বেড়ে ওঠা ঢাকায়। তামান্নার বাবা বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। তাই ছোটবেলা থেকে বিমানচালকই হতে চেয়েছিলেন তিনি। নাইমার বাবা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা। মা-বাবা দুজনই চেয়েছিলেন মেয়ের বৈমানিক হওয়ার ইচ্ছাকে গুরুত্ব দিতে। তাদের পরিবারে ছেলেমেয়েকে কখনো আলাদা মনে করা হয় না। দুজনের পরিবারই তাদের সব সময় সাহস জোগায়। তারা অকুতোভয় হলেও এবার নাকি পরিবার কিছুটা ‘নার্ভাস’। কঙ্গোতে যাওয়ার বিষয়ে নাইমা ও তামান্না দুজনই রোমাঞ্চিত।

বাংলাদেশের মেয়েদের জন্য এটা বড় অর্জন। এই দুজনকে দেখে অনেক পরিবার তাদের মেয়ের বৈমানিক হওয়ার স্বপ্নপূরণ করতে উদ্যোগী হবে।

এই দুই সামরিক বৈমানিক ২০১৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর যশোরে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর ঘাঁটি বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান এ সলো টেস্টের সফলতার মাধ্যমে সামরিক পাইলট হিসেবে স্বীকৃতি পান। নাইমা হক ও তামান্না-ই-লুৎফী দুজনই চান আরও অনেক মেয়ে বিমানবাহিনীতে যোগদান করুক।

মেয়েদের জন্য চমৎকার কাজের পরিবেশ এখানে। চ্যালেঞ্জিং কাজে নারীরা আসুক বলেন নাইমা। গতকাল সকালে গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর এমআই-১৭ হেলিকপ্টার চালনা করেন এই দুই বৈমানিক। হেলিকপ্টারের সিঁড়ি বেয়ে নেমে আসছিলেন, মনে হচ্ছিল চোখেমুখে তৃপ্তি, আত্মবিশ্বাসের দৃঢ়তা। এমন সাহস তাদের শান্তিরক্ষার কাজে নিশ্চয় সফল করবে।

 

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

বাঙালির যা কিছু অর্জন তা আ’লীগের সময়ই: শেখ হাসিনা

বাংলাদেশি জনশক্তি রপ্তানি স্থগিত করল মালয়েশিয়া

সংলাপের প্রয়োজন নেই: ওবায়দুল

ফুটবলের উন্নয়নে অবদান রাখতে চায় ব্রাজিল, জিকো আসতে পারে

বাংলাদেশে যোগব্যায়াম দিবস পালনে মোদির শুভেচ্ছা

যুদ্ধ-সহিংসতা-নিপীড়নের মুখে ৬ কোটি ৮৫ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত

অক্টোবরে গঠিত হতে পারে নির্বাচনকালীন সরকার: কাদের

দেশে প্রায় ২ লাখ ৬৮ হাজার একর বনভূমি বেদখলে: বনমন্ত্রী

তামাকে কর: বাজেট প্রস্তাবনায় বিন্দুমাত্র প্রতিফলিত হয়নি

ছুটি শেষে আবারো খালেদার মামলার কার্যক্রম শুরু হচ্ছে

জাতীয় নির্বাচন বানচাল করতে পারে আ’লীগ: মওদুদ

বাঙালির যা কিছু অর্জন তা আ’লীগের সময়ই: শেখ হাসিনা