জাতীয়

মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারী, ২০১৭ (১৮:৩২)
আ'লীগের জনসভা

গণআদালতে খালেদার জিয়ার বিচার হবে: শেখ হাসিনা

শেখ হাসিনা

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর শুরু হয় সংবিধান লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পালা—৭৫-এর পর ক্ষমতা দখলকারীরা বাঙালি জাতিকে বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে দেয়নি বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে জনসভায় দেয়া ভাষণে এ কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, যুদ্ধের ভয়াবহতা কাটিয়ে বাংলাদেশের মানুষ যখন স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে তখনই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার করা হয়। আর এরপর যারাই ক্ষমতায় এসেছে, ‘নিজেদের আখের গোছানোই’ ছিল তাদের একমাত্র লক্ষ্যচ।

পঁচাত্তরের পর যারা ক্ষমতায় এসেছে, তারা কখনো জাতিকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে দিতে চায়নি—কারণ তাদের দেহ এ দেশে থাকলেও মন পড়ে থাকত পাকিস্তানে।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে ২৫-৩০ বছর আগেই বাংলাদেশ উন্নত-সমৃদ্ধশালী দেশে পরিণত হতে পারত সবাই সুখে শান্তিতে জীবন-যাপন করতে পারত। জিয়াউর রহমানসহ পরবর্তী শাসকরা জনগণের উন্নয়ন নয়, রাজনৈতিক অভিলাস পূরণ করেছেন বলেও জানান তিনি।

এ সময় শেখ হাসিনা তার ভাষণে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে বলেন, যারা আন্দোলনের নামে মানুষ পুড়িয়ে মারে তাদের আর এদেশের জনগণ ক্ষমতায় দেখতে চান না। মানুষ পুড়িয়ে মারার দায়ে খালেদা জিয়ার গণআদালতে বিচার হবে।

বিএনপির বিরুদ্ধে দেশে জঙ্গিবাদকে উস্কে দেয়ার অভিযোগ এনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এ অপরাধে গণআদালতে তাদের বিচার হবে।

এসময় বিএনপির মানুষ পুড়িয়ে মারার রাজনীতির সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতা থেকে হঠাতে ব্যর্থ হয়ে সন্ত্রাসী ও জঙ্গিদের উস্কে দিচ্ছেন বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া।

বিভিন্ন অজুহাতে আদালেতে দুর্নীতি মামলায় হাজিরা না দেয়ায় খালেদা জিয়ার সমালোচনাও করেন তিনি।

ইসলামের নামে কেউ যেন মানুষ হত্যা ও আত্মঘাতী না হয় সেজন্য অভিভাবক, শিক্ষক, ধর্মীয়গুরুসহ সকল শ্রেণী-পেশার মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান সরকারপ্রধান।

এ সময় তার সরকারের নেয়া নানা উন্নয়ন কর্মসূচি তুলে ধরেন শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগ কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী উল্লেখ করে জনগণের কাছে দেয়া ওয়াদা পূরণ করে উন্নত দেশে রুপান্তরিত করার কাজ এগিয়ে নিচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এর আগে দলের জ্যেষ্ঠ নেতা বক্তব্য রাখেন।

১৯৭২ সালের এ দিনে পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখেন বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তনে স্বাধীনতাসংগ্রামের বিজয় পূর্ণতা পায়।

দিবসটি উপলক্ষে আলাদা বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ উপলক্ষে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করছে।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদাররা বাঙালির অবিসংবাদী নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তার ধানমন্ডির বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। তাকে পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী করা হয়। বাঙালি যখন স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করছে, বঙ্গবন্ধু তখন পাকিস্তানের কারাগারে প্রহসনের বিচারে ফাঁসির আসামি হিসেবে প্রহর গুনছিলেন। একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্যদিয়ে বাঙালিদের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হওয়ার পর বিশ্বনেতারা বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবিতে সোচ্চার হয়ে ওঠেন। আন্তর্জাতিক চাপে পরাজিত পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী শেষ পর্যন্ত বন্দিদশা থেকে বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

 

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

খুলেছে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ওয়েবসাইট

সরকারকে আরো চেষ্টা চালাতে হবে রোহিঙ্গাদের ফেরাতে

কারাগার কারো ব্যক্তিগত বাড়ি নয়: কাদের

নতুন সেনাপ্রধান হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল আজিজ আহমেদ

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ওয়েবসাইট বন্ধের ‘নির্দেশ’

দেশের গণতন্ত্র এখন সুরক্ষিত: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত

পবিত্র ঈদুল ফিতর আজ

অনুশীলনে নেই নেইমার, ফিটনেস নিয়ে শঙ্কা

ইতিহাসে সর্বনিম্ন র‌্যাংকিংয়ে পৌঁছেছে অস্ট্রেলিয়া

কুমিল্লায় মোশাররফের গাড়িবহরে বাসের ধাক্কা, নিহত ১

খালেদাকে বিদেশ পালানোর সুযোগ করে দিতেই অসুস্থতা নিয়ে মিথ্যাচার