স্থানীয়/জনপদ

শনিবার, ২০ জানুয়ারী, ২০১৮ (১১:১৭)

প্রত্যাবাসন চুক্তির বিরুদ্ধে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে রোহিঙ্গাদের বিক্ষোভ

প্রত্যাবাসন চুক্তির বিরুদ্ধে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে রোহিঙ্গাদের বিক্ষোভ

রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে বাংলাদেশ মিয়ানমারের সঙ্গে যে চুক্তি করেছে তার বিরুদ্ধে একদল রোহিঙ্গা শুক্রবার কক্সবাজারের একটি শরণার্থী শিবিরে বিক্ষোভ করেছে।

কুতুপালং শরণার্থী শিবিরের একটি ব্লকে এ বিক্ষোভে একশোর মতো শরণার্থী অংশ নিয়েছে বলে জানা গেছে।

তারা মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর আগে সেখানে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে একটি নিরাপদ এলাকা গড়ে তোলার দাবি জানান।

তবে বাংলাদেশ সরকারের কর্মকর্তারা বলেন, রোহিঙ্গাদের এ ধরনের বিক্ষোভের কোনো তথ্য তাদের জানা নেই।

এই বিক্ষোভের একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে আনুমানিক শ খানেক লোক সেখানে জড়ো হয়েছে।

বিক্ষোভকারীদের সামনে ছিল ইংরেজী লেখা একটি ব্যানার— এতে ছয়টি দাবি তুলে ধরা হয়।

রাখাইনে জাতিসংঘের নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতিতে একটি নিরাপদ অঞ্চল গড়ে তোলার দাবি জানানো হয়।

এছাড়া প্রত্যাবাসনের আগে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের নাগরিকত্ব দেয়ারও দাবি জানানো হয়।

এই বিক্ষোভের সংগঠকদের একজন নিজেকে মহিবুল্লাহ বলে পরিচয় দেন।

তিনি জানান, সকাল ৮টায় কুতুপালং শিবিরের ই ব্লকে এ বিক্ষোভ হয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর সময় এখনো আসেনি— এজন্যে আমরা আজ সকাল ৮টায় এ বিক্ষোভ করেছি। রাখাইনে আমাদের জন্য একটি নিরাপদ অঞ্চল গড়ে তুলতে হবে। রোহিঙ্গা হিসেবে আমাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের ওপর যারা অবিচার করেছে তাদের বিচার করতে হবে। তাহলে আমরা ফেরত যেতে পারি।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান অবস্থায় তারা মিয়ানমারে ফেরত যেতে প্রস্তুত নন।

তবে কুতুপালংয়ে স্থানীয় সাংবাদিক এবং রোহিঙ্গাদের অনেকের সাথেই কথা বলে জানা যায় তারা এ বিক্ষোভ সম্পর্কে কিছুই জানেনে না।

এমনকি কুতুপালং এবং টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যারা নেতৃস্থানীয় হিসেবে পরিচিতি তাদের অনেকের সাথে কথা বলে জানা যায় এ ধরনের বিক্ষোভ সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণা নেই।

এ ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটেছে যখন জাতিসংঘের মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত ইয়াংহি লী শনিবার থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শুরু করবেন।

স্থানীয় পুলিশ এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারাও কোনো ধরনের বিক্ষোভের কথা অস্বীকার করছেন।

উখিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা নিকারুজ্জামান বলছেন, এ ধরনের কোনো বিক্ষোভের কথা তিনি শুনেননি।

মিয়ানমারের সঙ্গে করা এক চুক্তির অধীনে বাংলাদেশ সরকার যখন রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে তখন রোহিঙ্গাদের এ ধরণের বিক্ষোভ সরকারকে বেশ অস্বস্তিতে ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন মানবাধিকার কর্মী নূর খান লিটন।

তিনি বলছেন রোহিঙ্গাদের এসব বিক্ষোভ জোরালো কিছু নয়। তবে সেটি যে জোরালো হবে না এমন নিশ্চয়তা দেয়া যায়না বলে উল্লেখ করেন তিনি।

রোহিঙ্গাদের এ বিক্ষোভের সাথে জড়িত মহিবুল্লাহ বলছেন তাদের কর্মসূচী ছিল খুবই সংক্ষিপ্ত। কিন্তু কর্মসূচী সংক্ষিপ্ত হলেও সেটির ভিডিও মানবাধিকার কর্মী এবং সংবাদমাধ্যমের হাতে বেশ দ্রুত পৌঁছেছে।

সূত্র বিবিসি বাংলা।

 

এছাড়াও রয়েছে

অপ্রয়োজনীয় সিজার থেকে বিরত থাকুন স্বাস্থ্যপ্রতিমন্ত্রী।

মাদক নির্মূল অভিযান, সহনীয় পর্যায় না আসা পর্যন্ত চলবে

মাগুরায় পিকআপ ভ্যান উল্টে নিহত ২

রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ফেইসবুক লাইভে প্রিয়াঙ্কা

বগুড়ায় ট্রাক-লেগুনা সংঘর্ষ, নিহত ৪

চলে গেল শিশু মুক্তামনি

তোমরা কি এ বিশাল নাফ নদ হয়ে এসেছো? রোহিঙ্গা শিশুদের প্রিয়াঙ্কা

সাভারে চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ-ব্যবসায়ী সংঘর্ষ, আহত ৫

হাজারীবাগ-কারওয়ান বাজার বস্তিতে মাদকবিরোধী অভিযান, আটক শতাধিক

মাদক ব্যবসা নির্মূল না পর্যন্ত অভিযান চলবে: কামাল

অপ্রয়োজনীয় সিজার থেকে বিরত থাকুন স্বাস্থ্যপ্রতিমন্ত্রী।

চাঁদে পা রাখা চতুর্থ নভোচারী অ্যালান বিনও চলে গেলেন