জীবনধারা

বুধবার, ০৯ আগস্ট, ২০১৭ (১৩:৪৭)

ক্রমশই সংকীর্ণ হয়ে পড়ছে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জীবনধারা

ক্রমশই সংকীর্ণ হয়ে পড়ছে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জীবনধারা

দেশের বিভিন্ন এলাকার ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষের ভাষা, সংস্কৃতি ও জীবনধারা ক্রমশই সংকীর্ণ হয়ে পড়ছে। ভূমি অধিকার আর স্বীকৃতির জন্য আন্দোলন করে আসলেও নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষাতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

এদিকে, আন্তর্জাতিক আদিবাসি দিবস উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন জায়গায় নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

বুধদার সকালে জামালপুর সদরের দয়াময়ী মোড়ে ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করা হয়েছে। এসময় বক্তারা দেশের কল্যাণে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় কাজে ক্ষুদ্র জাতি সত্ত্বার মানুষদের অংশগ্রহণ করার সুযোগ সৃষ্টি করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

শেরপুরের ঝিনাইগাহি উপজেলার মরিয়মনগর খ্রিস্টান মিশন থেকে শোভাযাত্রা বের করে বাংলাদেশ গারো ছাত্র সংগঠন। এছাড়া জয়পুরহাটসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করছে বিভিন্ন সংগঠন।

জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি, নিজেদের ভাষা-সংস্কৃতি রক্ষায়ও সরকারের উদ্যোগ দেখতে চান দেশের ভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর এসব মানুষ।

পূর্বপুরুষের জমি থেকে উচ্ছেদ হওয়ার পর গাইবান্ধার মাদারপুর ও জয়পুর পল্লীতে আশ্রয় হয়েছে এসব সাঁওতালবাসীদের।

সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামারের জমি থেকে উচ্ছেদ হওয়া সাঁওতালরা আট মাস ধরে নিজেদের ভূমি ফিরে পাওয়ার আশায় আছেন। দুঃখ-দুর্দশার কথা বলতে গিয়ে অনিশ্চিত ভবিষ্যত নিয়ে উদ্বেগও ফুটে ওঠেছে তাদের কণ্ঠে।

আট মাসেও পুনর্বাসনের কোনো ব্যবস্থা না হওয়ায় তারা ক্ষুদ্ধ। সাঁওতালদের করা মামলারও কোনো অগ্রগতি নেই।

রাজবাড়ি জেলার বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর মানুষ। তবে তাদের সঠিক সংখ্যা এখনো নিরুপণ করা সম্ভব হয়নি। এরমধ্যে সদর উপজেলার বারবাকপুর গ্রামে দেড়শ ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী পরিবারের বসবাস। অল্প জমিতে গাদাগাদি করে তারা থাকছেন। নিজস্ব ভাষার কোনো স্কুল না থাকায় সাধারণ স্কুলেই পড়াশোনা করতে হয় শিশুদের।

সমতলে থাকা এসব ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর মানুষের জীবনমান উন্নয়নে প্রশাসনের চেষ্টা রয়েছে বলে জানান স্থানীয় জেলা প্রশাসক।

শেরপুরের নালিতাবাড়ি, ঝিনাইগাতিসহ বিভিন্ন উপজেলায় গারো, ক্ষত্রিয় বানাই, কোচসহ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ৫০ হাজার মানুষ বসবাস করেন। বেশিরভাগই কৃষিকাজ আর দিনমজুরী করে জীবনধারণ করছে। এসব এলাকায় নেই ভালো কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, রাস্তাঘাট নেই বিদ্যুত সংযোগও।

মণিপুরী, খাসি, সাঁওতালসহ মৌলভীবাজারের সাত উপজেলায় পাঁচ লাখেরও বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের বাস। শিক্ষা, চিকিৎসার সুব্যবস্থা নেই। তাদের জন্য নেই কোনো স্কুলও।

এছাড়াও রয়েছে

তরমুজের গুণাগুণ

লেবুর শরবত পানের যত উপকারিতা

তেঁতো করল্লার হাজার গুণ!

ঠাণ্ডা পানি খেয়ে শরীরের ক্ষতি করছেন না তো?

গরমে ভাল থাকুক ত্বক: ত্বকের যত্নে চটজলদি টিপস

শতায়ু হওয়ার রহস্য

আজও স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে শহীদ পরিবারের কপালে মেলেনি কিছুই

নতুন প্রজন্মকে মননশীল সংস্কৃতির ধারায় এগিয়ে আসার আহ্বান, ভাষা সৈনিক নিখিল সেনের

কিমের সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসু না হলে ওয়াকআউট: ট্রাম্প

নাইকো মামলা: খালেদা জিয়ার চার্জ শুনানি ১৩ মে

৩২ ধারাসহ কয়েকটি বিষয়ে সম্পাদককের দাবি ‘যৌক্তিক’: আইনমন্ত্রী

কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলন শুরু, যোগ দিলেন শেখ হাসিনা