পরিবেশ

বুধবার, ১০ জানুয়ারী, ২০১৮ (১১:৪৭)
চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ৫. ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস

শুক্রবার থেকে সহনীয় থাকতে পারে শীত, শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত

শুক্রবার থেকে সহনীয় শীত থাকতে পারে, শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত

দেশের বিভিন্ন জায়গায় বুধবার এখনো শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলেছে তবে তার তীব্রতা কমেছে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলা হয়েছে, শৈত্যপ্রবাহটি আরও দু-এক দিন চলতে পারে— তবে দেশের বেশির ভাগ এলাকাতেই তাপমাত্রা ধারাবাহিকভাবে বাড়তে পারে।

আগামী শুক্রবার থেকে দেশের বেশির ভাগ এলাকায় তাপমাত্রা স্বাভাবিক অর্থাৎ সহনীয় মাত্রায় শীত থাকতে পারে জানিয়েছে তারা।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মিজানুর রহমান বলেন, আজও দেশের বেশির ভাগ এলাকায় তাপমাত্রা বাড়তে পারে, চলমান শৈত্যপ্রবাহটি আরও এক থেকে দুই দিন চলতে পারে।

চুয়াডাঙ্গায় কয়েকদিন ধরে অব্যাহত থাকা শৈত্য প্রবাহের ফলে দিন দিন বাড়ছে শীতের তীব্রতা। বেলা বাড়লেও শীতের তীব্রতা কমছে না।

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায় ৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

এছাড়া ভোর থেকে ঘন কুয়াশাতো রয়েছেই— বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের দেখা মিললেও নেই কোনো উত্তাপ।

শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। এছাড়া সাধারণ মানুষ গত এক সপ্তাহ থেকে প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছে না। শীত নিবারণের জন্য তারা খড়কুটায় আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক সামাদুল হক জানান, বুধবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরো কয়েকদিন সময় লাগবে বলেও জানান তিনি।

দিনাজপুরে গতকালের তাপমাত্রা ৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে আজ- বুধবার ৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উন্নীত হয়েছে তবে কমেনি শীতের তীব্রতা।

শীতে হতদরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষের বাড়ছে দুর্ভোগ। প্রচণ্ড ঠান্ডায় কাজ করতে পারছেন না শ্রমজীবী মানুষজন।

বিশেষ করে নির্মাণ ও কৃষি শ্রমিকরা পড়েছেন চরম বিপাকে।

দিনাজপুরে শৈত্যপ্রবাহ শুরুর পর তাপমাত্রাও কমতে শুরু করে। গতকাল মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৮ ডিগ্রু সেলসিয়াস।

হাড় কাঁপানো কনকনে শীতে ব্যহত হচ্ছে এই অঞ্চলের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। বেলা ১০টা পর্যন্ত রাস্তা-ঘাট ফাঁকাই থাকছে।

এদিকে, কুড়িগ্রামে গত ৯ দিনের অব্যাহত শৈত্যপ্রবাহে জনজীবনে স্থবিরতা বিরাজ করছে।

বুধবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সদর হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে এক শিশুসহ ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

দিনের কিছু সময় সূর্যের দেখা মিললেও বাকি সময় ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকছে এ জনপদ।

তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেলেও হিমেল হাওয়ায় কমছে না শীতের তীব্রতা— ফলে শ্রমজীবী মানুষেরা কাজে বের হতে পারছেন না।

এ অবস্থায় চাষাবাদের মারাত্বক ক্ষতি হচ্ছে।

গরম কাপড়ের অভাবে দুর্ভোগ বেড়েছে স্বল্প আয়ের মানুষজনের— রেহাই পাচ্ছে না গবাদি পশুরাও।

কুড়িগ্রামের হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।

ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা।

এপর্যন্ত জেলা প্রশাসন থেকে সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত ৫৭ হাজার কম্বল বিতরণ করা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।

গত সোমবার দেশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ডও হয়েছে, তেঁতুলিয়ায় ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর বেশির ভাগ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এখনো ১০ ডিগ্রির নিচে। এতে দেশের বেশির ভাগ মানুষ সীমাহীন দুর্ভোগ ও কষ্টে রয়েছে। ঠাণ্ডাজনিত রোগে প্রাণ হারিয়েছে কমপক্ষে ৩৪ জনের এদের বেশির ভাগই শিশু।

এছাড়াও রয়েছে

দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে

ঝড়ে তাজমহলের একটি মিনার ক্ষতিগ্রস্ত

বাইসাইকেলের জন্য আলাদা লেনের দাবি

টোকিও নগরীর এক তৃতীয়াংশ পানিতে তলিয়ে যাবে: জরিপ প্রতিবেদন

রাজধানীসহ উত্তরের বিভিন্ন জেলায় ঝড়-শিলা বৃষ্টি

ফুলে ফুলে ঢেকে গেছে চেরি ফুলের দেশ জাপান

সিলেট- ময়মনসিংহ- ঢাকা -চট্টগ্রামে বৃষ্টির সম্ভাবনা

এ পর্যন্ত আগুনে পুড়ে রংপুরে ২০ জনের মৃত্যু

কিমের সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসু না হলে ওয়াকআউট: ট্রাম্প

নাইকো মামলা: খালেদা জিয়ার চার্জ শুনানি ১৩ মে

৩২ ধারাসহ কয়েকটি বিষয়ে সম্পাদককের দাবি ‘যৌক্তিক’: আইনমন্ত্রী

কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলন শুরু, যোগ দিলেন শেখ হাসিনা