নির্বাচন

ksrm

সোমবার, ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ (১৪:০৭)

ইভিএম নিয়ে উৎকণ্ঠা স্বাভাবিক: সিইসি

কে এম নূরুল হুদা

সক্ষমতা, প্রশিক্ষণ, আইন ও রাজনৈতিক দলের সমর্থনের ওপর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এটির ব্যবহার নির্ভর করছে— এক্ষেত্রে ২৫টি আসনে এ যন্ত্র ব্যবহার করা হবে বলে জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা।

সোমবার নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার সংক্রান্ত দু’দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করে এ কথা বলেন তিনি।

সরকার ও সংসদ চাইলে জাতীয় নির্বাচনে দৈব চয়নের ভিত্তিতে কয়েকটি আসনে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন, ইভিএম ব্যবহার করা হবে বলে জানান কেএম নূরুল হুদা।

এদিকে, ইভিএম ব্যবহারের বিধান রেখে আজই আরপিও সংশোধনের খসড়া মতামতের জন্য আইন মন্ত্রণলয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

ইভিএম নিয়ে এখন প্রস্তুতিমূলক অবস্থানে রয়েছি— জাতীয় সংসদে যদি আইন পাস হয়, যদি সক্ষমতা অর্জন হয় এবং জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হয় তাহলে এ ২৫টি আসনে ইভিএম ব্যবহার হবে।

তিনি বলেন, আইন পাস হলে র্যা নডমলি ইভিএম ব্যবহার করা হবে। সরকার যদি আইন পাস করে দেয়, আর পরিবেশ পরিস্থিতি যদি অনুকূলে থাকে তবেই সংসদ নির্বাচনে র্যা নডমলি ইভিএম ব্যবহার করা হবে। তিনশ’ আসনের মধ্যে ২৫টি আসনে ইভিএম ব্যবহার করবো। র্যা নডমলি আসনগুলো বাছাই করবো। এখানে কারো পছন্দ-অপছন্দের বিষয় থাকবে না।

নতুনভাবে কিছু শুরু করলে আলোচনা-সমালোচনা হয়-এ কথা উল্লেখ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ইভিএম কিভাবে ব্যবহার হবে সেটা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে উৎকন্ঠা থাকবে সেটাই তারা করেছে। অনেক প্রশ্নের উদ্ভব হয়েছে, সেগুলো প্রাসঙ্গিক। এগুলো নিয়ে আমরা ব্যাপকভাবে প্রচারে পৌঁছাতে পারিনি।

রাজনৈতিক অঙ্গনে যে আলোচনা চলছে তাকে ইতিবাচক বলেই মনে করে সিইসি বলেন, ‘এটা করতে গিয়ে অনেক প্রশ্নের উদ্ভব হয়েছে, অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছি। তারা অনেক কিছু জানতে চেয়েছেন সেগুলো প্রাসঙ্গিক।’

তিনি বলেন, নতুন প্রযুক্তি নিয়ে শুরুতে এরকম বাধা-বিপত্তি বা উৎকণ্ঠা থাকা ‘স্বাভাবিক’ প্রশিক্ষণ আর প্রচার ভালো হলেই এর ইতিবাচক প্রভাব গ্রামেগঞ্জে, ভোটার, রাজনৈতিক মহল ও প্রার্থীর কাছে পৌঁছে যাবে। এখন পর্যন্ত আমরা প্রচার নিয়ে ব্যাপক অবস্থানে পৌঁছাতে পারিনি। এটা কী, কীভাবে ব্যবহার করা যায়, উপকারিতা কী- এ নিয়ে আমরা মানুষের মধ্যে কাজ করব। এই যে আলোচনা সমালোচনা হয়… তারাও এক পর্যায়ে বুঝতে পারবেন।

তিনি বলেন, প্রযুক্তি এখন বাক্সে বন্দি নেই। মানুষের হাতে হাতে, চিন্তা চেতনায় প্রবেশ করেছে। ২০১০ সালে যখন ইভিএম শুরু হয়, তখন ভুলত্রুটি ছিল। তবে এখন আমরা উন্নত প্রযুক্তি এনেছি। আমরা মেলা আয়োজন করে এগুলো ব্যাখ্যা করবো। মানুষের কাছে বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করবো। জেলায় জেলায় মেলার আয়োজন করা হবে। সেখানে ত্রুটি থাকলে অবশ্যই সেটা ব্যবহার করা হবে না।

সিইসি বলেন, ইভিএমের জন্য সরকারিভাবে অর্থ সরবরাহ করা হবে। আমাদের কাছে কোনো তহবিলই আসবে না। তাহলে আমাদের জন্য সুবিধা হবে।

সংবিধান অনুযায়ী আগামী ৩০ অক্টোবর থেকে ২৮ জানুয়ারির মধ্যে একাদশ সংসদ নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে ইসির। আসছে ডিসেম্বরের শেষভাগে এ নির্বাচনের তারিখ আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচলিত ব্যালট পেপারের পাশাপাশি ইভিএম ব্যবহার করতে ইতোমধ্যে নির্বাচনী আইন (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২) সংশোধনের প্রস্তাব কমিশনের অনুমোদন পেয়েছে।

সংসদে বিল পাসের আগে এখন বিষয়টি আইন মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিসভার সম্মতির প্রক্রিয়ায় রয়েছে। আরপিও সংশোধনের প্রস্তাব সোমবারই আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানান ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

 

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

আইনগত ভিত্তি পেলে নির্বাচনে ইভিএম: সিইসি

ভুটানে সাধারণ নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ

সংসদ নির্বাচন, ৩০ অক্টোবরের পর তফসিল: ইসি সচিব

অর্থমন্ত্রী ভুল বলেছেন: সিইসি

জোর করে ইভিএম নয়: সাবেক সিইসি শামসুল হুদা

নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে কমিশন অঙ্গীকারাবদ্ধ: সিইসি

ইভিএমে ভোটের বিধান রেখে আরপিও সংশোধনের প্রস্তাব: সিইসি

ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচন: ইসি সচিব

চায়ের দোকানে বসে দলীয় বিবাদ করবেন না: কাদের

আইনগত ভিত্তি পেলে নির্বাচনে ইভিএম: সিইসি

নদী দূষণ-দখলের সঙ্গে জড়িতদের বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বিচারের দাবি

এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ: রোববার ভিয়েতনামের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ