শিশু শিক্ষার্থীর চিঠি পেল প্রধানমন্ত্রী, স্কুল পাচ্ছে দোতলা ভবন

শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭ (১৫:৫১)
শিশু-শিক্ষার্থীর-চিঠি-পেল-প্রধানমন্ত্রী,-স্কুল-পাচ্ছে-দোতলা-ভবন

শিশু শিক্ষার্থীর চিঠি পেল প্রধানমন্ত্রী, স্কুল পাচ্ছে দোতলা ভবন

বিদ্যালয়ের জীর্ণদশার কথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জানিয়ে এক শিশুছাত্রের লেখা চিঠির পর দোতলা ভবন কাম সাইক্লোন শেল্টার পাচ্ছে বরগুনার বেতাগীর ৩৪ নম্বর জলিশাহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ অনুষ্ঠানে পদকগ্রহণ করার সময় পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র মাইনুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর হাতে স্কুল ভবন নির্মাণের জন্য নিজের লেখা চিঠি তুলে দেন। তার আবেদনে সাড়া দিয়ে দ্রুততম সময়ে স্কুল ভবন নির্মাণের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

বরগুনার বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ও শিক্ষিকা নুরুন্নাহারের ছেলে মাইনুল ইসলাম।

গত ২৯ জানুয়ারি জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ উদযাপন অনুষ্ঠানে পদক বিতরণের সময় পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী মাইনুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর হাতে একটি চিঠি তুলে দেন। ওই চিঠিতে মাইনুল উল্লেখ করেন, তার বিদ্যালয়টি বেড়িবাঁধের বাইরে ব্যারেরদোন নদীর তীরে অবস্থিত হওয়ায় প্রতিবার জোয়ারের সময় পানিতে প্লাবিত হয়। এতে শিক্ষার্থীদের পড়িশোনার ব্যঘাত ঘটে ও খেলাধুলা করতে কষ্ট হয়।

মাইনুলের আবেদনে সাড়া দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দ্রুততম সময়ের মধ্যে মাইনুলের স্কুলের জন্য একটি দ্বিতল ভবন নির্মাণের নির্দেশ দেন তিনি। এতে উচ্ছসিত স্কুলছাত্র মাইনুল।

ছেলের চিঠির আহবানে সাড়া দেয়ায় গর্বিত মাইনুলের বাবা-মাও।

বরগুনার বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের ব্যবসায়ী মো. আসাদুজ্জামানের ছেলে মাইনুল ইসলাম। তার মা মোসা. নুরুন্নাহার একজন শিক্ষিকা। বর্তমানে তিনি মাইনুলের স্কুল জলিশাহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত। এক ভাই ও এক বোনের মধ্যে বড় মাইনুল। ছোট বোন মারজিয়ার বয়স চার বছর। মাইনুলের মা মোসা. নুরুন্নাহার বলেন, তাঁর ছেলে মাইনুল প্রথম শ্রেণি থেকে প্রতি ক্লাসেই প্রথম স্থান অধিকার করে আসছে।

ভবন নির্মাণের নির্দেশনা দিয়ে গত ১ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে চিঠি দেয় গণশিক্ষা অধিদপ্তর।

জলিশাহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ১৯৪৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় জলিশাহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। ১৯৭৩ সালে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ হয়। বর্তমানে এ বিদ্যালয়ে ছয়জন শিক্ষক ও ২৩০ শিক্ষার্থী রয়েছে। বিদ্যালয়টি প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রধান শিক্ষক জানান, স্কুলের প্রথম ভবনটি এখন জরাজীর্ণ। সাত-আট বছর আগে পিডিপি-২ এবং এডিবির অর্থায়নে দুটি ভবন নির্মাণ করা হলেও তাতে শিক্ষার্থীদের স্থান সংকুলান হয় না। এই অবস্থায় স্কুলের নতুন ভবন জরুরি হয়ে পড়ে।

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর

শুরু হলো প্রাথমিক-ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা

সরকার না চাইলে এ পরীক্ষা বন্ধের সুযোগ নেই: মোস্তাফিজুর

নকলের অভিযোগে ৭ পরীক্ষার্থীকে ২০ দিনের কারাদণ্ড

১৯ নভেম্বর থেকে প্রাথমিক-ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষা শুরু

৩৭তমর মৌখিক ২৯ নভেম্বর ও ৩৮তমর প্রিলি. ২৯ ডিসেম্বর

জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা শুরু