আদালত

ksrm

বুধবার, ১০ এপ্রিল, ২০১৯ (১৫:০৪)

মানবতাবিরোধী অপরাধ: আজহারুল-কায়সারের আপিল শুনানি ১৮ জুন

মানবতাবিরোধী অপরাধ: আজহারুল-কায়সারের আপিল শুনানি ১৮ জুন

মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আলবদর নেতা জামাতের এটিএম আজহারুল ইসলাম এবং জাতীয় পার্টির সাবেক প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের আপিল শুনানি আগামী ১৮ জুন শুরুর দিন ঠিক করেছে আন্তর্জাতিক অপরধ ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার বিচারকের আপিল বেঞ্চ এ দিন ঠিক করেছে।

গত ২০১৪ সালে যুদ্ধাপরাধের বিচারে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরধ ট্রাইব্যুনালে আজহারের মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয়।

২০১৫ সলের ২৩ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জে হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণের মতো যুদ্ধাপরাধের দায়ে সৈয়দ কায়সারকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

আইন অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের রায়ের একমাসের মধ্যে খালাস চেয়ে আপিল করে এ দুই যুদ্ধাপরাধী।

গত ২০১৭ সালের ১৩ আগস্ট এক আদেশে আপিল বিভাগ এ দুটি আপিলের সার সংক্ষেপ দাখিলের নির্দেশ দেয়।

ওই বছর ১০ অক্টেবর দুই আপিলের ওপর শুনানি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও আসামিপক্ষের সময়ের আবেদনে তা পিছিয়ে যায়। প্রায় দেড় বছর পর বুধবার মামলা দুটি সর্বোচ্চ আদালতের কার্যতালিকায় আসে।

আসামিদের পক্ষে আন্তর্জাতিক অপরধ ট্রাইব্যুনাল ছিলেন আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, এস এম শাজাহান ও শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরধ ট্রাইব্যুনাল-১ একাত্তরে রংপুর জেলা আলবদর বাহিনীর কমান্ডার এ টি এম আজহারুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।

প্রসিকিউশনের আনা নয় ধরনের ছয়টি মানবতাবিরোধী অপরাধের মধ্যে পাঁচটি এবং পরিকল্পনা-ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি (উর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়) প্রমাণিত হয় তার বিরুদ্ধে।

এর মধ্যে মৃত্যুদণ্ডের রায় আসে রংপুর অঞ্চলে গণহত্যা চালিয়ে অন্তত ১৪০০ লোককে হত্যা এবং ১৪ জনকে খুনের অপরাধ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এছাড়া ওই অঞ্চলের বহু নারীকে রংপুর টাউন হলে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্যাতন কেন্দ্রে ধর্ষণের জন্য তুলে দেয়ার অভিযোগে একাত্তরের এই বদর কমান্ডারকে ২৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অপহরণ ও আটকে রেখে নির্যাতনের আরেকটি ঘটনায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

ট্রাইব্যুনালের এ রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি খালাস চেয়ে আপিল করে জামাতের এ সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল।

সৈয়দ কায়সার:

২০১৫ সলের ২৩ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জে হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণের মতো যুদ্ধাপরাধের দায়ে সৈয়দ কায়সারকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

১৯৭১ সালে দখলদার পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় ‘কায়সার বাহিনী’ গঠন করে ওই দুই জেলায় যুদ্ধাপরাধে নেতৃত্ব দেয় তখনকার এ মুসলিম লীগ নেতা। জিয়াউর রহমানের আমলে তিনি হয়ে যায় বিএনপির লোক, হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সময় জাতীয় পার্টির।

ট্রাইব্যুনালের বিচারক বলেন, সৈয়দ কায়সারের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা ১৬টি অভিযোগের মধ্যে ১৪টি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

তাকে প্রাণদণ্ড দেয়া হয় ৩, ৫, ৬, ৮, ১০, ১২ ও ১৬ নম্বর অভিযোগে, যার মধ্যে দুই নারীকে ধর্ষণের ঘটনা রয়েছে। এই দুই বীরাঙ্গনার মধ্যে একজন এবং তার গর্ভে জন্ম নেয়া এক যুদ্ধশিশু এ মামলায় সাক্ষ্যও দিয়েছেন।

২০১৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ওই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে সৈয়দ কায়সার।

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

বর্ধমান বিস্ফোরণ: ৩ রোহিঙ্গা ঢাকায় বিস্ফোরক মামলায় দণ্ডিত

‘সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮’ কার্যকরে গেজেট প্রকাশে রুল জারি

মধুমতি মডেল টাউন: আগের রায় আপিলেও বহাল

যুক্তরাজ্যে অর্থপাচার মামলায় মামুনের ৭ বছরের কারাদণ্ড

মানবতাবিরোধী অপরাধ: নেত্রকোণার ২ জনের ফাঁসির রায়

মানবতাবিরোধী অপরাধ: নেত্রকোণার ২ জনের রায় বুধবার

যুক্তরাজ্যে তারেক-জোবাইদার ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ

ফখরুলসহ ৮ নেতার জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন নিষ্পত্তি

সর্বশেষ খবর

মির্জা ফখরুল দেশে ফিরছেন সন্ধ্যায়

মেক্সিকোতে অপরাধী চক্রের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১০

ফের ওয়ানডে অলরাউন্ডার র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে সাকিব

রাজধানীতে কাভার্ডভ্যান চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর