আদালত

ksrm

বুধবার, ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ (১৫:২৪)

যা ইচ্ছে তাই সাজা দিন, আমি অসুস্থ: খালেদা জিয়া

খালেদা জিয়া

এখানে ন্যায়বিচার নেই— যা ইচ্ছে তাই সাজা দিতে পারেন, যত ইচ্ছে সাজা দিতে পারেন আমি অসুস্থ বারবার আদালতে আসতে পারব না কারাগারে স্থাপিত আদালতে জানান বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

বুধবার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা বিচারকাজ শুরু হয়েছে।ছ

সেখানেই এ মামলার প্রধান আসামি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, এভাবে বসে থাকলে আমার পা ফুলে যাবে— আমার সিনিয়র কোনো আইনজীবী আসেনি এটা জানলে আমি আসতাম না।

আদালত থেকে যাওয়ার সময় খালেদা জিয়া সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমার কোনো সিনিয়র আইনজীবী আদালতে ছিল না। তাদের যথাযথভাবে নোটিশ দেয়া হয়নি। যে প্রজ্ঞাপন গত রাতে করা হয়েছে, তা সাত দিন আগে কেন হয়নি। আদালতকে জানিয়েছি, আমি অসুস্থ, বারবার আসতে পারব না।

এ আদালতের বিচারককাজ পরিচালনা করেন ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান।

বেলা ১১টার দিকে আদালতে আসেন তিনি।

আজ মামলাটির যুক্তিতর্ক উপস্থাপন ছিল।

খালেদা জিয়াকে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আদালতে হাজির করা হয়। হুইলচেয়ার বসিয়ে তাকে আনা হয়। পরনে ছিল বেগুনি রঙের শাড়ি। চেয়ারে বসা অবস্থায় তার পায়ের ওপরের অংশ থেকে নিচ পর্যন্ত সাদা চাদর দিয়ে ঢাকা ছিল।

এ আদালতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপিপন্থী ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তাফা খান।

এ সময় তিনি খালেদা জিয়ার সঙ্গে কথা বলেন।

পরে তিনি আদালতের অনুমতি নিয়ে বলেন, ‘আমি এখানে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি হিসেবে এসেছি। খালেদা জিয়ার মামলা পরিচালনা করেন—এমন কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত হননি। রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী কারাগারে আদালত বসবেন—এ ধরনের প্রজ্ঞাপন গত রাতে আসামিপক্ষের এক আইনজীবীর কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

এটা যথাযথভাবে আসামিপক্ষকে জানানো হয়নি। তাই আদালতকে সার্বিক বিবেচনায় নতুন তারিখ ধার্য করতে অনুরোধ জানাচ্ছি।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার ৫ বছরের সাজা হয়।

অসুস্থতার কারণে খালেদা জিয়াকে এখন পর্যন্ত আদালতে হাজির করা যায়নি— তার অসুস্থতা ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে কারাগারে আদালত বসানোর বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় বলে জানান দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল।

প্রজ্ঞাপনটি যথাযথভাবে আসামিপক্ষের প্রধান আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়াকে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। আর অন্য আইনজীবীদের ব্যক্তিগতভাবে আজকের শুনানির বিষয়ে জানানো হয়েছে। এমনকি বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা-সংলগ্ন অস্থায়ী আদালত যেখানে বসত সেখানেও তা টানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপর তিনি আদালতের কার্যক্রম শুরুর আরজি জানান।

শুনানি শেষে বিচারক মো. আখতারুজ্জামান আসামিদের জামিন ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বহাল রেখে সেই দুদিন পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন।

 

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

খালেদার অনুপস্থিতিতে বিচারকাজ চলবে

খালেদা জামিন বাড়ল ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বৃদ্ধি

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা: রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ আসামিপক্ষের আইনজীবীদের

তারেকের সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিলেছে ২য় তদন্ত প্রতিবেদনে

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের

১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১৯ জনের যাবজ্জীবন, ১১ সরকারি কর্মকর্তাকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দানকারীদের নেতৃত্বশূন্য করতেই গ্রেনেড হামলা

বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, তারেককে যাবজ্জাীবন

সাংবাদিকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে আইনের খসড়া অনুমোদন

রামকৃষ্ণ মিশনে প্রধানমন্ত্রী

২৪ অপরাধের শাস্তির বিধান রেখে সম্প্রচার আইন অনুমোদন

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি ফল স্থগিত